হেডলির বক্তব্যে কি প্রমাণ হয় ইশরাতকে ভুয়ো সংঘর্ষে হত্যা করা হয়নি?

0
11

২০০৪ সালে গুজরাটে ভুয়ো সংঘর্ষে নিহত ইশরাত জাহান  নাকি লসকর-ই তইবার আত্মঘাতী ছিলেন। সূদর আমেরিকা থেকে হেডলির সাক্ষীতে নাকি এই তথ্য উঠে এসেছে । অন্তত এমনটাই দাবি মিডিয়ার। অথচ ইশরাতের পরিবারের আইনজীবী ব্রিন্দা গ্রোভার ani কে দেওয়া সাক্ষাত্কারে জানিয়েছেন হেডলিকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয় লসকরের কি মহিলা শাখা ছিল ? উত্তর ছিল জানা নেই। এর পর হেডলি জানান তাকে লকভি বলেছিল ভারতে মুজাম্মল ভাটের জন্য তাদের একটা অপারেশন ব্যর্থ হয়েছে। হেডলি নাকি  অন্য লোকের সঙ্গে হওয়া টেলিফোন কথোপকথোনে  ইশরাতের বিষয়টি শুনেছিলেন। এর পর সরকারি আইনজীবী ৩ মহিলা লসকরের নাম  করেন। এর মধ্যে থেকে ইশরাতকে লসকর বলে বেছে নেন তিনি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এর পরই কি কেউ সিদ্ধান্ত পৌঁছে যেতে পারে যে হেডলি যা বলছে তার সঙ্গে গুজরাটের ভুয়ো সংঘর্ষের কোন সম্পর্ক আছে? কংগ্রেস নেতা মনীশ তিওয়ারি জানিয়েছেন হেডলি যাই বলুক না কেন ইশরাতকে যে ভুয়ো সংঘর্ষে মারা হয়েছিল তা কোন সভ্য সমাজ সমর্থন করতে পারে না। ইশরাতকে শহিদ তকমা দেওয়া  কংগ্রেসের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে দাবি করেছে বিজেপি। ২০০৪ সালের ১৫ জুন কলেজ ছাত্রীকে ইশরাতকে ভুয়ো সংঘর্ষে মারার অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে গুজরাট সরকারের পুলিসের বক্তব্য ছিল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হত্যার জন্যই এরা নাকি মুম্বই থেকে গুজরাটে আসছিল। পথে সংঘর্ষে ইশরাত ও সঙ্গীরা নিহত হয়। আঙ্গুল ওঠে অমিত শাহের দিকে। নিম্ন আদালত ভুয়ো সংঘর্ষের উপর শিলমোহর দিলেও মামলা যায় হাইকোর্টে। এর পর কেন্দ্রে পালা বদলের পর অমিত শাহকে ক্লিনচিট দেয় সিবিআই। একে একে রেহাই পান অভিযুক্ত একধিক পুলিস কর্তাও।

 

ছবি truth of gujrat এর সৌজন্যে