রোজভ্যালির চ্যানেলেও কি নিয়ম না মানাটাই অভ্যাস?

0
1
গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলে পরিচিত সংবাদমাধম‍্যের অন্দরেই গণতন্ত্র্রের ন‍্যূনতম নিয়মনীতি কতদূর মর্যদা পায়,তা নিয়েই আস্ত একটা গবেষণা হতে পারে । মতপ্রকাশের স্বাধীনতা তো অনেক দূরের কথা,কর্মীদের অতিসাধারণ অধিকারও সেখানে কর্তৃপক্ষের ইচ্ছে অনুযায়ী লঙ্ঘিত এবং রক্ষিত হয় । এমনকী সরকারি যে-বিধি,তাকেও সম্মান দেয় না সংবাদমাধ‍্যমের একাংশ । একটা নমুনা ব্র‍্যান্ড ভ‍্যালু কমিউনিকেশন । খাতায় ব্রান্ড ভ্যালু বৈদ‍্যুতিন সংবাদমাধ‍্যম নিউজটাইমের মালিক সংস্থা হলেও এটা বেশি পরিচিত রোজভ্যালির নিউজ চ্যানেল বলে। । সেখানকার কর্তৃপক্ষ একইসঙ্গে আইন ভাঙা এবং কর্মীদের ওপর গাজোয়ারি ফলানোর আদর্শ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে । প্রাক্তন কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা নয়ছয় করার অভিযোগ উঠেছে নিউজটাইম কতৃর্পক্ষের বিরুদ্ধে । কীভাবে নয়ছয়? কর্মীদের বেতন থেকে পিএফের খাতে টাকা কেটে নিয়েছে সংস্থা । কিন্তু সেই খাতে টাকা জমা দেয়নি । শুধু তা-ই নয়, সংস্থার তরফে যে-টাকা জমা দেওয়ার কথা,তাও জমা দেয়নি তারা । অথচ প্রতিমাসেই টাকা কাটা হয়েছে । সংস্থা ছেড়ে দেওয়ার পরও তাই কর্মীরা প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা পাচ্ছেন না। কারণ ফান্ডে টাকাই তো জমা পড়েনি । দেড়বছরেরও বেশি সময়কাল ধরে এই বেনিয়ম,বেআইনি কাণ্ড চলছে । অথচ বারবার দরবার করলেও সংস্থার তরফে সদর্থক সাড়া শূন‍্য । প্রতারিত কর্মীদের সংখ‍্যাটা কম নয় । তা সত্ত্বেও এব‍্যাপারে কোনও হেলদোল নেই নিউজটাইম কর্তৃপক্ষের । হেডলাইনস,টক শোোয় খবরের পোস্টমর্টেম যারা করে,রাজনীতি,অর্থনীতি,সমাজনীতি নিয়ে যারা জনগণের কণ্ঠস্বর শোনানোর আনুষ্ঠানিক দাবি জানায়,তাদের চৌহদ্দিতেই কর্মীদের কথা স্রেফ আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলে দেওযা হয় । মুখ এবং মুখোশের এই ছু কিত কিত খেলায় নিউজটাইম কর্তৃপক্ষের এই দক্ষ দখলদারি কি এবার আইনের আওতায় আসবে? পদক্ষেপ করবে প্রশাসন? সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন ।