ঘুম থেকে জেগে উঠেছে দীনেশের বিবেক!

 নারদ স্টিং নিয়ে তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদীর মন্তব্য ঘিরে মিডিয়া জুড়ে তোলপাড়। বেশ কিছুটা অস্বস্তিতে দলও।কিন্তু হঠাত্ নারদ নিয়ে বিবেক জেগে উঠল কেন দীনেশের। অনেকের মনে প্রশ্ন , সারদা নিয়ে ২ বছর রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়, দলের সাংসদ ও এক মন্ত্রী জেলে , সিবিআইয়ের জেরার মুখোমুখি দলের একাধিক সাংসদ ও মন্ত্রী অথচ তখন কেন নীরব ছিলেন দীনেশ ত্রিবেদী? উল্টে সংসদের বাইরে সাহারা লেখা লাল ডায়েরি হাতে তৃণমূলের নাটুকে বিক্ষোভে কি তিনি সামিল হননি? নিজের দলের এক সাংসদ কেডি সিং ও চিটফান্ডের জনক কই তার বিরুদ্ধে তদন্ত চাননি তো বিবেকবান দীনেশ? কার্যত গালে চড় মেরে যখন তাঁর কাছে থেকে মমতা রেলমন্ত্রীত্ব কেড়ে নেন তখন দীনেশ ত্রিবেদীর এই বিবেক কি ঘুমোচ্ছিল? আসলে  সংসদীয় রাজনীতিতে নীতি সোনার পাথরবাটি। মাঝে মধ্যেই সমীকরণ পাল্টায়। তাই বয়ান মন্তব্যেও চমক দেখা যায়। এখন দেখার দীনেশ ত্রিবেদীর নতুন সমীকরণটা ঠিক কী? আমি যদি দলের সভাপতি হতাম (নারদকাণ্ডে জড়িতের) ওঁদের ইস্তফা দিতে বলতাম। যথক্ষণ না কলঙ্কমুক্ত হচ্ছেন ততক্ষণ ঘরে বসে থাকতে বলতাম। শুক্রবার দিল্লিতে বণিকসভার এক সভায় দীনেশ  ত্রিবেদীর এই মন্তব্য ঘিরে এখন নয়া রাজ্য রাজনীতি নয়া জল্পনা। অনেকেই বলছেন দীনেশ তেরা কেয়া হোগা!