সংবিধান জিন্দাবাদ! উত্তরাখণ্ডেও রাষ্ট্রপতি শাসন জারি

 উত্তরাখন্ডে জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন। শনিবার রাতেএই সুপারিশ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। রবিবার তার মঞ্জুরী দেন রাষ্ট্রপতি।২৮ মার্চ  বিধানসভায় শক্তি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই বিক্ষুব্ধ কংগ্রেসি বিধায়কদের সাসপেন্ড করেন স্পিকার। গত সপ্তাহে কংগ্রেসের ৯ বিধায়ক ডিগবাজি খেয়ে বিজেপি শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে। কংগ্রেসর তরফে বিধায়ক কেনার অভিযোগ করা হয়েছে বিজেপির বিরুদ্ধে।  মুখ টাকা দিয়ে ভোট কেনার স্টিং এ অভিযুক্ত স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াত। রাজ্যের বাজেট অধিবেশনে বিক্ষুব্ধ কংগ্রেসী বিধায়করা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ভোটও দেন।নেতৃত্বে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় বহুগুনা । ৭০ সদস্যের বিধানসভায় কংগ্রেসের সদস্য ছিল ৩৬। বিজেপির ২৮। পিডিএফের ৬ জন বিধায়ক অবশ্য কংগ্রেসকে সমর্থন করছেন। কংগ্রের  ৯জন বিক্ষুব্ধ বিধায়ক  বিজেপি শিবিরে চলে গেলেও তাঁদের সাসপেন্ড করেন স্পিকার। এদিকে উত্তরাখণ্ডে কংগ্রেস সরকার ফেলে দেওয়ার চক্রান্তের পিছনে নাকি রয়েছেন বাবা রামদেব। কংগ্রেসের নাকি এমনটাই অভিযোগ। scroll.in এ প্রকাশিত এক রিপোর্টে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। সেই এনটিআর থেকে আজ পর্যন্ত এদেশে সাংসদ -বিধায়ক কেনা বেচা চলছে, চলবেও, অথচ এদেশ নাকি বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র! কিছু বলা যাবে না। তা হলেই দেশদ্রোহী বলে টুটি টিপে ধর  হতে পারে।

ছবি- নেট থেকে নেওয়া