উত্তরাখণ্ডে ৩১ মার্চের আস্থাভোট স্থগিতের নির্দেশ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের

  হরিশ রাওয়াতকে ৩১ মার্চ উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে যে   নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ দিয়েছিল তার উপর স্থগিতাদেশ দিল  ডিভিশন বেঞ্চ। ৭ এপ্রিল পর্যন্ত বহাল থাকবে এই স্থগিতাদেশ। রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিল সিঙ্গল বেঞ্চ। এর বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করে কেন্দ্র। কেন্দ্রের আর্জি ছিল রাষ্ট্রপতির আদেশের উপর আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারে না।আগামী ৬ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন।

উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় ৯জন বিক্ষুব্ধ বিধায়ক সহ কংগ্রেসের সদস্য ৩৬। বিজেপির ২৮। আরো ৬ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে রাজ্য সরকারের উপর। দল ভাঙানোর খেলায় কে জিতবে তা বড় কথা নয়, যেটা ফের সামনে এলো তাহল এদেশের সংসদীয় রাজনীতির দেউলিয়াপনা। টাকার খেলা। ক্ষমতার অপব্যবহারই এখানে নিয়ম। রক্ত না ঝড়লেও ক্ষমতা ও অর্থের চাপ যে সব সময়ই কাজ করে তা ফের সামনে এলো উত্তারাখণ্ডের ঘটনায়। বিধায়কদের কিনতে ও চাটার্ড বিমানে দিল্লিতে রাখতে ঠিক কত টাকা খরচ হল তা কোন দিনই জানা যাবে না। কিন্তু যারা এই টাকা দিল তাদের স্বার্থ বুঝতে অসুবিধা হওয়া উচিত নয়। নারদের পর কোন কোন তৃণমূল নেতা ঠিকই বলেছেন টাকা তো সবাই নেয়!