চুপসে গেল নির্বাচন কমিশনের ফানুস , শালবনিতে প্রার্থী ও সাংসবাদিক পেটাল শাসকদলের দুষ্কৃতীরা

নির্বাচন কমিশনের বেলুন ভোট শুরু হতেই চুপসে গেল। ৪ এপ্রিল জঙ্গলমহলের  ভোটে শালবনিতে সাংবাদিক ও প্রার্থী পেটাল শাসকদলের মস্তানরা। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখল কেন্দ্রীয় বাহিনী। বেশ কিছু পণ্ডিত বোঝাতে চান নির্বাচন কমিশন কঠোর হলেই ভোট শান্তিপূর্ণ হবে । আর হিংসা বা ভোট লুট না হলে ভোটের ফলাফল নিরপেক্ষ হবে। আসলে তাঁদের পাণ্ডিত্য যে কিছুটা ডিগ্রি ভিত্তিক তা এরকম ভাবনা থেকেই স্পষ্ট। ভোটের প্রচারের অর্থ ও বাহুবলের যে ছড়াছড়ি চলে তা কি দেখতে পায় না কমিশন । আজ পর্যন্ত এর জন্য কোন দলকে কি শাস্তি দিয়েছে তারা? তাছাড়া ভোটের দিন বোম পড়া, বুথ জ্যাম বা ভোট লুট করাটাই একটা দিক ঠিকই কিন্তু সারা বছর যে চাপা সন্ত্রাস কেষ্টরা চালায় তার কী? এছাড়া রয়েছে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের অনুদান থেকে বিধবা ভাতা সহ বিভিন্ন ভাতা, বেকারদের সিন্ডিকেট বা ছোটখাট কাজের ব্যবস্থা করা বা বিপিএল তালিকায় নাম তোলার জন্য পাড়ার নেতার পেছনে পেছনে ঘুরতে বাধ্য হওয়া, ইত্যাদি হাজারো বাধ্যতা( এক  প্রকারের সন্ত্রাস) অসহায় মানুষটির ভোট তখন আর সেটা গণতান্ত্রিক অধিকার থাকে না বরং তা হয়ে দাঁড়ায় টিকে থাকার জন্য এক অসহায় আত্মসমর্পণ। তাই নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতার কথা প্রচার করা আসলে এই সংসদীয় ব্যবস্থার এই অসাড়তাকেই আড়াল করতে চাওয়ার নামান্তর। তা জেনেই হোক বা অজ্ঞতার কারণে।