ভোটে হিংসা, হিংসার ভোটঃ ভোট দিন বা না দিন চুপ থাকুন!

দফার ভোটে আরও এক দফা  হয়ে গেল। সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। প্রার্থী বা তাঁর এজেন্টকে মারধর, ভোটারদের ভোট দিতে না দেওয়া, দিতে গেলে মারধর, ছাপ্পা ভোট ইত্যাদি ইত্যাদি। যা মিডিয়া দেখাল তা বাস্তব ঘটনার খণ্ডচিত্র মাত্র। তবে এদিনের হিংসায় মাত্রা যোগ করেছে এক ৩ বছরের শিশুকে মারধর করার ঘটনা। ভোটের দিনের হিংসা বা সন্ত্রাসই বড় কথা নয়। কেন এদেশে( রাজ্যে তো বটেই) ভোটের দিন সন্ত্রাস হয় তা খুঁজেতে হবে আমাদের। আসলে ভোটারদের পাত্তা দেওয়া বা তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে সম্মান জানানোর কোন প্রয়োজন বোধ করেন না আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো। ক্ষমতায় টিকে থাকা বা ক্ষমতায় যাওয়ার শিলমোহর আদায় করে নিতে চান ব্যাস। আজ যে সিপিএম সন্ত্রাসের কথা বলছে তারা রাজ্যে কলেজে ভোট করতে দিত না। যে মাস্তানরা এতদিন বামেদর সঙ্গে ছিল তারাই আছে তৃণমূলের সম্পদ। রেজ্জাক,মণিরুল ,তাপস উদয়ন থেকে বামেদের সর্বশেষ ডিগবাজি পুরো দলটার। তাই জোট করে ক্ষমতায় ফেরার মরিয়া প্রয়াস তাদের। আর এসবের মধ্যে কোথাও মানুষের মত. চাওয়া পাওয়াকে গুরুত্ব দেওয়া নেই। যা আছে তা হল ভাঙিয়ে খাওয়া। তাই ভোটের দিন হিংসা হল কীনা তা নিয়ে হৈচৈ করে খুব লাভ নেই সারা বছর ধরে মানুষের কথা বলার অধিকারকে গ্যারান্টি করতে মানুষকে পথেই নামতে হবে । আর তা নাহলে যা হচ্ছে তা হবে । তাতে কারো কারো ২৪ ঘন্টা আনন্দ কাটবে । জনজীবন হয়ে উঠবে আরো দুর্বিসহ।