মারা গেলেন ‘মধ্যাহ্ন’ মানুষ

0
8

তিনি লিখতেন। কিন্তু লেখা নিয়ে বাণিজ্য পত্রিকার দরজায় দরজায় কখনও ঘোরেননি। বিশ্বাস করতেন সাহিত্য মানে শুধু নাম, যশ আর অর্থ নয়। সাহিত্য মানে জীবেনর গভীরতাকে চিনতে চাওয়া। তিনি শৈলেন বসু। তাঁর সাহিত্য সাধনা থেমে গেল ২ মে। কলকাতার আমহার্স স্ট্রিটের ক্রাউন লজেই  সারাটা জীবন কাটিয়ে দিলেন অকৃতদার এই মানুষটি। মহ্যাহ্ন পত্রিকাই ছিল তাঁর ধ্যানজ্ঞান। স্কুল শিক্ষকতার  পারিশ্রমিকের প্রায় পুরো অর্থটা ঢেলে দিতেন  তাঁর এই পত্রিকায়। সাহিত্য জগতের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের অনেকেই তাঁর পরিচিত । কিন্ত কোন স্বীকৃতি  চাননি। জীবেনর শেষ প্রান্তে সংবাদ প্রতিদিন ২০০২ সালে লিটল ম্যাগাজিনের সেরা লেখক হিসাবে তাঁকে সম্মাণিত করে। পরিচিত ঘরনার বাইরে ‘ঘোড়া ও আত্মঘাতী জ্যোত্স্না’ এই গল্প সংকলনটি বেশ কিছু পাঠকের মধ্যে সমাদৃত হয়। তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে সাহিত্যের ভিন্নি মুখী লড়াইটা অনেকটাই ধাক্কা খেল।