অনলাইনে নাকি এখন চিকিত্স! প্রধানমন্ত্রীর দাবি ও বাস্তব ছবি

0
10

অন লাইনে ডাক্তার দেখানোর সময় পাওয়া, অন লাইনেই প্রেসক্রিপশন এই সব নাকি চালু হয়েছে সরকারের ৪০টি বড় হাসাপাতালে। স্বাধীনতা দিবসে  লাল কেল্লা থেকে জাতীর উদ্দেশে ভাষণে এই কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । কিন্তু বাস্তবটা কি ঠিক এর উল্টো নয়।কয়েক দিন আগেই দিল্লির এইমসে চিকিত্সা পেতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছে এক গৃহবধূকে।।ওই গৃহবধূর ব্রেনের অস্ত্রপচারের জন্য ২০১৮ সালের অগস্টে ডেট দিল হাসপাতালের চিকিত্সকরা। আর যদি এবছরই তা করাতে হয় তা করতে হবে হাসপাতালের প্রাইভেট ওয়ার্ডে। যার জন্য প্রয়োজন ১ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা। পরিবারটির কাছে সেই অর্থ না থাকায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তারা। দেশের বেহাল স্বাস্থ্য পরিষেবার এটা একটা খণ্ডচিত্র মাত্র। সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার কাঠামো ধাপে ধাপে একেবারে ভেঙে দেওয়া হয়েছে ।এক বেডে একাধিক রোগী বা হাসপাতালের মাটিতে শুয়ে থাকা রোগীর ছবি হামেশাই উঠে আসে টেলিভিশনের পর্দায়। ওষুধ বা পরীক্ষা নিরিক্ষার  অর্থ জোগাড় করতে না পারায় অকালেই ঝড়ে যায় অসংখ্য প্রাণ। তবু মুখ্যমন্ত্রী থেকে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি সম্পর্কে ফিরিস্তি দিতে থামেন না। তবে এদিন বিপিএল তালিকায় থাকা পরিবারগুলোর জন্য ১ লক্ষ টাকা স্বাস্থ্য বিমার কথা ঘোষণা করেন মোদি। কীভাবে তা পাওয়া যাবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। সরকারি প্রকল্পের লাল ফিতের ফাঁসের কারণে প্রয়োজনীয় সাহায্য অনেক সময়ই পৌঁছায় না দরিদ্র  মানুষের কাছে। তাই প্রকল্প ঘোষণাই বড় কথা নয়  কত সহজেই তার সুবিধা পাবে গরীবের সেটা অত্যন্ত জরুরি।