ছাত্রী পিটিয়ে শিক্ষকতা! এ লজ্জা সমাজেরও

ফের পড়ুয়াকে শিক্ষিকাদের মারধর।এবার  দমদমের সেন্ট স্টিফেনস স্কুলে। খাতায় রোল নম্বর ভুল লেখায়  একটি বাচ্চা মেয়েকে কানে চড় শিক্ষিকার। মারধরের জেরে অসুস্থ হয়ে পড়ে শিশুটি। হইচই হওয়ায় তড়িঘড়ি অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে সাসপেন্ড করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। বিষয়টা কি শুধুমাত্র একটি স্কুলের?বোধহয় না। ছাত্র -ছাত্রীকে স্কুলে শিক্ষক আর বাড়িতে অভিভাবকদের মারধর আমাদের সমাজ জীবেনর অঙ্গ। ছোটবেলায় শুনেছি বাবা -মায়েরা বাচ্চাকে মারেন তাঁর ভালর জন্য। আর বড় হয়ে দেখেছি বাবা -মা তাঁর নিজের ব্যর্থতাকে পূরণ করতে চান বাচ্চার মধ্যে দিয়ে। আজ সরকারি বা বেসরকারি অধিকাংশ স্কুলেই শিক্ষকরা চাকরি করেন, শিক্ষকতা করেন  হাতে গোনা কয়েকজন। তাই পড়ুয়াদের মন বোঝার দায় তাঁদের নেই। তাছাড়া বেসরকারি স্কুলের অত্যধিক চাপও বেসামাল করে দিচ্ছে শিক্ষকদের। আসলে  স্কুলে শুধু সিলেবাস শেষ করার তাড়া পড়ুয়ারা বুঝলো কীনা তাতে কী আসে যায়! তাই ভুল রোল নম্বর লেখা তো একটা অজুহাত মাত্র কারণ বা অকারণে পড়ুয়াদের শাসন করাইটাই অধিকাংশ শিক্ষকদের একমাত্র পরিচয় হয়ে উঠেছে। বাঁচোয়া সব কিছু জানাজানি হয় না!