আইনের হাত যখন খাটো

0
13

আইনের হাত নাকি অনেকটা লম্বা হয়,অনেক দিন ধরেই আমরা এমনটা শুনে আসছি।তবে আমাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা মাঝে মধ্যেই অন্য কথা বলে,এই যেমন পার্কস্ট্রিট গণধর্ষণের  ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত কাদের খান এতদিন পর ধরা পড়লেও তাকে যাঁরা পালাতে সাহায্য করেছিল বলে অভিযোগ তাদের অন্যতম অভিনেত্রী নূসরাত।অভিযোগ এই নূসরত ঘটনার পর পুলিশকে কাদের খান বিষয়ে মিথ্যে তথ্য দিয়ে  বিভ্রান্ত করেছিলেন।ঘটনার পরপরই নূসরতকে কাদের নিয়ে পুলিশ জেরা করে,তাতে নূসরত তখন জানিয়েছিলেন কাদেরের সঙ্গে তার যোগাযোগ একসময় থাকলেও তখন ছিল না,এমনকী কাদের কোথায় আছে তাও তিনি জানেন না।এর কিছুদিনের মধ্যেই পুলিশের হাতে আসে সেই তথ্য যাতে জানা যায় ঘটনার পরেই কলকাতার এক অভিজাত হোটেলে ঐ অভিনেত্রী কাদের খানের সঙ্গে ছিলেন,এই খবর মিডিয়াতে প্রচারও হয়।এখন কাদের খান গ্রেপ্তার হওয়ার পর কারা কারা কাদেরকে পালাতে সাহায্য করেছিল তাদের ডাকা হচ্ছে,কারা পুলিশকে বিভ্রান্ত করেছিল তাদেরও জেরা চলছে তবে সেই তালিকায় নেই নূসরতের নাম।আর এখানেই প্রশ্ন এতবড় প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও কেন জেরা হবে না নূসরতের।আইন তো বলছে এসব ক্ষেত্রে দন্ডবিধির ২১২ ও ২০২ ধারায় অপরাধী কে আড়াল করার দায় পুলিশ গ্রেফতার করতে  পারে।অন্যদের ক্ষেত্রে পুলিশ তাই তো করছে তাহলে নূসরত ছাড় পাচ্ছে কোন যুক্তিতে।যুক্তিটা আইনের নয় প্রভাবের সবাই জানে নূসরত এখন শাসক দলের ঘনিষ্ঠ,শাসক দলের মিটিং মিছিলে তাকে দেখা যায় তাই পুলিশের সাধ্য কী তাকে জেরা করে।আইনের হাত এভাবেই খাটো হয়ে যায়।