লোঢা সুপারিশ মানা সহজ নয়! ক্রিকেট না খেলেই BCCI এর সভাপতি রণজি অধিনায়ক?

লোঢা কমিটির সুপারিশ মানার জন্য bcci কে চরমসীমা বেধে দিলেও বোর্ডের ডোন্ট কেয়ার ভাব অব্যাহত। হবেই না বা কেন! কারন কেউ কি চায় নিজের মৌরসি পাট্টা ছাড়তে। আরs বোর্ডে যুক্ত হতে কীনা করেছেন এরা !  বোর্ড প্রেসিডেন্ট অনুরাগ ঠাকুরের কথাই ধরুন । ২০০০ সালে হিমাচল ক্রিকেট অ্যসোসিয়েশনের সভাপতি হন অনুরাগ। সেই সময় তাঁর পিতা প্রেম কুমার ধুমাল ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এর পর একদিন হঠাত্ই রণজি ট্রফিতে দলের অধিনায়ক হয়ে মাঠেও নেমে পড়েন তিনি। দেশে বোধহয় এটাই প্রথম যেখানে কোন রাজ্যের অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রায় কোন ক্রিকেট না খেলেই রণজিতে অধিনায়ক হয়ে পড়েন। এসব এমনি এমনি নয়। কারণ এর পর  জুনিয়ার জাতীয় দলের নির্বাচক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন ঠাকুর।কোন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার ছাড়া ওই পদে যাওয়া সম্ভব ছিল না। বোর্ড রাজনৈতিক দলের নেতাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পরিণত হয়েছে। হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ কি কেউ এত সহজে ছেড়ে দেয়?

 

ঋণ স্বীকার  A FEAST OF VULTURES, THE HIDDEN BUSINESS OF DEMOCRACY IN INDIA

, ,