এই ভোটের জয় কীসের ইঙ্গিত?

0
6

রাজ্যের একটি বিধানসভা ও দুটি লোকসভা আসনের উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে প্রায় ৫ লক্ষ(৪৯৭৫২৮) ও কোচবিহারে  ৪ লক্ষ ভোট(৪১৩৩৬৪) জেতার পাশাপাশি মন্তেশ্বর বিধনাসভা কেন্দ্রেও তৃণমূল প্রার্থী জিতেছেন ১ লক্ষ ২৭ হাজারেরও বেশি ভোটে। এই জয়কে কেন্দ্রের হিটালারি শাসনের বিরুদ্ধে মানুষের  রায় বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে দেশের অধিকাংশ উপনির্বাচনে বিজেপির ফল ভাল হওয়ায় একে মোদির নোট বাতিলের সিদ্ধান্তে মানুষের আস্থা বলে মনে করে বিজেপি। অন্যদিকে তামিলনাড়ুতে যে ২টি কেন্দ্রে ভোটারদের ঘুষ দিয়ে প্রভাবিত করার কারণে গত বিধানসভা নির্বাচনে ভোট বাতিল করেছিল নির্বাচন কমিশন সেখানেও জয়ী হয়েছে aidmk। এরাজ্যে বামেদের জমানত বাজেয়াপ্ত  হলেও ত্রিপুরাতে ২টি আসন জিতেছে তারা।  মানুষ ভোট দেয় ঠিকই কিন্তু তাতে জনমত কতটা প্রকাশ পায় তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তাছাড়া নোট, ও বাহুবলীদের দাপাদাপি যে ভোটকে প্রভাবিত করে তাও বোধ হয় কেউ অস্বীকার করবেন না। তাছাড়া নানা অনুদান থেকে শুরু করে বেঁচে থাকার জন্য নানা বাধ্যবাদকতা মানুষের ভোটকে নিয়ন্ত্রিত করে। ফুটে হকারি, বস্তিতে থাকা, চাষের নানা বিষয় ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে অনেকেই বলবেন তাহলে কী ভোটে মানুষ সরকার পরিববর্তন করে নি। হ্যাঁ হয়। বিশেষ করে যখন গণ আন্দোলনের ঢেউ থাকে। এরাজ্যে বা দিল্লিতে যা হয়েছিল। ফলে একই ভোটে নানা ব্যাখ্যা থাকবে। তাই মমতাকে একে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে রায় বলছেন অন্যদিকে বিজেপি একে দেখছে তাদের প্রতি সমর্থন হিসাবে। কিন্তু মানুষ প্রতি দিনকার জীবনে সত্যি গণতান্ত্রিক অধিকার অর্জন করেছে  ? উত্তরটা পাওয়া সবার বোধ হয় জানা। মানবেন কিনা তা ব্যক্তিগত বিষয়।