মোদির এই চমক কেন?

0
6

নির্বাচনের আগে গরীব মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকার মোদির প্রতিশ্রুতি এখন মজার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। নরেন্দ্র মোদি  সরকারে আসার পর কালো টাকা উদ্ধারের জন্য  সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ গঠিত হয়েছে সিট। সিটের কাছে কালো টাকার মালিকদের একটি তালিকাও রয়েছে। অথচ দেশবাসী এখন জানতে পারেনি সেই নাম। এই ইস্যুতে ইতিমধ্যেই মোদি তাঁকে প্রতারণা করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন রামজেঠ মালানী। সম্প্রতি কালো টাকা স্বেচ্ছা ঘোষণা প্রকল্পে উদ্ধার হয়েছে মাত্র ৬৫ হাজার কোটি টাকা। অথচ কালো টাকার সমান্তরাল অর্থনীতি অন্তত ৩০ লক্ষ কোটি টাকা। জাতীয় আয়ের প্রায় ২০ শতাংশ।  নোট বাতিল করে কালো টাকার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ অনেকেটা হাতুড়ে চিকিত্সার মত। বড় বড় শিল্পগোষ্ঠী বা হিরে কারবারিরা টাকা রাখেন বিদেশের ব্যাঙ্কে। সেই টাকা উদ্ধার করার বিষয় উদ্যোগী না হলে শুধু নোট বাতিল করে কালো টাকা উদ্ধার চমক ছাড়া আর কিছু নয় বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদদের অনেকেই। নরেন্দ্র মোদি যে চমককেই বেশি পছন্দ করেন তা বোধ হয় অনেকেই মেনে নেবেন। যারা মালিয়ার কাছ থেকে ব্যাঙ্কের ৯ হাজার কোটি টাকা উদ্ধার করতে পারে না । যারা দেশে চিটফান্ডের সমান্তরাল অর্থনীতিকে বন্ধ করে না, যারা মজুতদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় না। তারা কালো টাকা উদ্ধারে সক্রিয়া হবে? হজম হচ্ছে না। তা হলে হঠাত্ ৫০০ ও হাজারে নোট বাতিল কেন? মমতা বলছেন উত্তরপ্রদেশ ও পাঞ্জাব নির্বাচনে বিরোধিতার টাকার যোগানের লাইনটাই কেটে দিতে মোদির এই পদক্ষেপ। মোদি চমক চান। আর তাই এই পদক্ষেপ? অনেকে বলছেন দেশের জ্বলন্ত সমস্যাগুলো চাপাদিতে মোদির এই চাল। এটাও বোধ হয় পুরোপুরি সত্যি নয়। তা হলে সত্যিটা ঠিক কী?