সংবাদ মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রের চেষ্টা,কীসের বার্তা?

0
6

নতুন করে আবার এদেশের সংবাদ মাধ্যমের ওপর আক্রমণ শুরু হয়েছে।গত কয়েক মাস ধরে কাশ্মীরের একাধিক সংবাদ পত্রর ওপর সরকারী জুলুম চলছে,সরকারী হুমকিতে চাকরী হারাতে হয়েছে এক সাংবাদিককে।তথাকথিত জাতিয়তাবাদী শর্ত চাপিয়ে সত্য সংবাদ পরিবেশনে বাঁধা দেওয়া হচ্ছে,এনডিটিভির সম্প্রচার একদিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার এক তরফা সিদ্ধান্ত নিতেও কুন্ঠা করছে না কেন্দ্রীয় শাসক দল,যদিও শেষ পর্যন্ত আপাতাত সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরেছে তারা তবে যে কোন সময় আবারও সংবাদ মাধ্যমের ওপর আক্রমণ আসতে পারে তার ইঙ্গিত স্পষ্ট।সংবাদ মাধ্যমে জঙ্গি ও সন্ত্রাস নিয়ে কেমন সংবাদ পরিবেশন হওয়া উচিত তারও নর্দেশিকা দিয়ে দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় শাসক বর্গ।বোঝাই যাচ্ছে সংবাদ মাধ্যমের নিয়ন্ত্রন নিতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে বিজেপি সরকার।ছত্তিশগড়েও সাংবাদিকদের কাজে বাঁধা দেওয়া হয়ে আসছে দীর্ঘ দিন ধরে।সরকার বিরোধী সত্য খবর চাপা দিতে রীতিমতো আগ্রাসন নামিয়ে  আনতে চাইছে কেন্দ্র।এমনিতেই এদেশের অধিকাংশ সংবাদ মাধ্যমই বড় পুঁজির নিয়ন্ত্রনে তাই মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়ে সংবাদ মাধ্যম এখন আর অতটা ভাবিত হয় না,কিন্তু তার পরেও যেভাবে সংবাদ মাধ্যমকে বেড়ি পড়ানোর চেষ্টা চলছে তাতে স্বাধীন ভাবনার সুরটাকেই যে স্তব্ধ করার চেষ্টা চলছে তা বুঝতে অসুবিধা হওয়ার নয়।অবাক হতে হয় প্রেস কমিশনের ভূমিকা দেখে,একের পর এক ঘটনা ঘটে যাচ্ছে দেখেও তারা সেভাবে প্রতিবাদে এগিয়ে আসছে না,এই সংস্থা তৈরিইতো হয়েছিল সংবাদ মাধ্যমের স্বাধিনতা নিশ্চিত করতে।তাহলে কী সরকারী রক্ত চক্ষুকে ভয় পাচ্ছে প্রেস কমিশনও তা যদি হয় এদেশের বড় বিপদের সময় উপস্থিত বলতে হবে,সত্য থেকে মানুষকে দুরে রাখার চেষ্টা শুধুমাত্র গণতন্ত্রের বাপদ নয়,সভ্যতারও বিপদ।এই বিপদ মোকাবিলায় নামতে হবে নাগরিক সমাজকে,কারণ বিপদটা মূলত তাঁদেরই