প্রশাসনিক নজরদারির অভাবেই শিশু পাচার চক্রের রমরমা,মানছেন তদন্তকারী অফিসাররাও

সরকারি অনুদান প্রাপ্ত হোমকে ঢাল করেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শিশু পাচার চক্র চলছে বলে সিআইডির কাছে চাঞ্চল্যকর তথ্য এসেছে।বাদুড়িয়া শিশু পাচার চক্রের তদন্ত করতে নেমে রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডির কাছে যে সব তথ্য আসতে শুরু করেছে তাতে তারা নিশ্চিত রাজ্য জুরে এই কারবার চলছে অনেক দিন ধরেই। এর পেছনে মাকড়শার জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে দীর্ঘ নেটওয়ার্ক এমনটাই মনে করছেন সিআইডির আধিকারিকরা।গত বৃহস্পতিবার ঠাকুরপুকুরের পূর্বাশা থেকে ১০টি শিশু উদ্ধারের পর তদন্তকারী অফিসারদের মনে হয়েছিল পূর্বাশাই বোধহয় পাচার চক্রের হেডকোয়ার্টার কিন্তু তারপর বিভিন্ন জায়গা থেকে সদ্যজাত উদ্ধার হতে থাকায় পরিষ্কার রাজ্যের বিস্তীর্ণ জায়গাজুরে ছড়িয়ে পাচার চক্র,সরকারি অনুদান পাওয়া হোমগুলি শিশু রক্ষণাবেক্ষন করার আড়ালে এভাবে শিশু পাচার চক্রের সঙ্গে কী ভাবে জড়িয়ে পরলো তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানান এক সিআইডি আধিকারিক।এক্ষেত্রে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সরকারী হাসপাতালের ডাক্তারদের ভূমিকাও তদন্তকারীদের নজরে আছে বলে জানিয়েছেন এক সিআইডি অফিসার।তদন্তকারী অফিসারের একাংশ মেনে নিচ্ছেন প্রশাসনিক নজরদারির অভাবেই রাজ্য জুরে এত বড় একটা শিশুপাচার চক্র এতদিন ধরে এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যেতে পরলো।

,