ভ্রমণের ফাঁদেঃ সাঁওতাল রমণীর যৌবন ছোঁয়ার টোপ

বাঙালি বরাবর তার নৈতিকতা শালীনতা সংস্কৃতির বড়াই করে এসেছে।তবে সেই বড়াইয়ের অহংকার ক্রমশ বোধহয় অতীত হওয়ার দিকেই এগুচ্ছে।সেই জন্যই অশোভন অশ্লীল বিজ্ঞাপন বাঙালি চোখ সওয়া করে নিচ্ছে।খবরের কাগজের বিঙ্গাপন,নারী শরীর ছুঁয়ে দেখার টোপ,মহিলাদের সঙ্গে সাহসী সম্পর্ক গড়ে তোলার আহ্বান এসব চালু হয়েছে অনেকদিন। সম্প্রতি চোখে পড়লো সাঁওতাল রমণীর উদ্দাম যৌবন উপভোগের সগর্ব আহ্বানও।সত্যজিত রায়ের ছবিতে দেখান হয়েছিল অরণ্য অপবিত্র হচ্ছে কলকাতার একদল যৌন বিকারগ্রস্ত লম্পটের উপস্থিতির কারণে,সেটা ছিল সিনেমা,আর এখন বিজ্ঞাপন দিয়ে সরাসরি প্রচার হচ্ছে নামী সংবাদ পত্রে।প্রচারের বয়ান এরকম -সত্যজিত রায়ের জয়চন্ডী পাহাড়,গড়পঞ্চকোট রাজবাড়ির গা ছমছম ইতিহাস ঘোরা অলিন্দ,জলবিদ্যুত কেন্দ্র বড়স্তির সূর্যাস্ত,ছৌ নাচ ও একই সঙ্গে সাঁওতাল রমণীর উদ্দাম যৌবনের ছোঁয়া। বিজ্ঞাপনে ট্রাভেলসের নাম না থাকলেও ফোন নম্বর দেওয়া হয়েছে।কত খরচ তাও জানানো হয়েছে।আর এই বিজ্ঞাপন ছাপা হয়েছে এমন একটা কাগজে যে কাগজ না পড়লে নাকি পেছিয়ে পড়তে হয়। এভাবেই তবে বাঙালি সাঁওতাল রমণীদের অপমান করতে করতে এগিয়ে যাওয়ার রাস্তা তৈরি করছে। খবরের কাগজের তরফে বলা হবে প্রচারের শ্লীলতাহানি দেখার দায়িত্ব তাদের নয় তারা শুধুমাত্র প্রচারের অর্থ নিয়ে থাকে এর বাইরে তারা কোন খবর নেন না,এর পর কোনদিন হয়তো আমরা দেখবো খুনেরও প্রচার হবে অর্থের বিনিময়ে,আমরা অপেক্ষায় রইলাম।

,