জানি এই সময় এই সব কথা কেউ বলে না!

0
8

জয়ললিতা প্রয়াত। শোকে ডুবে রয়েছেন তামিল জনগণের একটা বড় অংশ। এই সময়টা শোকের। শোক জানানোর। জয়ললিতার সম্পর্কে ভাল ভাল কথা বলার।  জানি এই সময়টা জয়ললিতার সম্পর্কে প্রশ্ন করার নয়। জানি কেন  আয়ের সঙ্গে সঙ্গিতহীন সম্পত্তির মামলায় কেন দোষী সাব্যস্ত হয়েও হলেন না। কিন্তু তবুও  এই সব অপ্রিয় প্রশ্ন এখন না  করে পারছি না। কারণ  কোন মিডিয়া এই সময় তা করবে না ।

 ৬৬ কোটি টাকার আয়ের সঙ্গে সঙ্গিতীহীন সম্পত্তির মামলায়  বিশেষ আদালতে রায়ে ১৮ বছর পর ২০১৪  সালের ২৭ সেপ্টেম্বর  দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন জয়ললিতা। জেলে যেতে হয় তাকে। বাধ্য হন মুখ্যমন্ত্রীর পদও ছাড়তে । অবশ্য বিশেষ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে কর্ণাটক হাইকোর্টে আবেদন করেন। সেই বছরই  সেপ্টেম্বর মাসে কর্ণাটক হাইকোর্ট তার জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। সেই সময় হাইকোর্ট জানিয়েছিল জয়ললিতার অপরাধ মানবতার বিরোধী  তাই তাঁকে জামিন দেওয়া যাবে না। ?যদিও পরে সুপ্রিম কোর্ট তাকে জামিন দেয়। আর  ১১  মে ২০১৫ সেই হাইকোর্টই জয়ললতিকে ক্লিনচিট দিয়েছিল । এর মধ্যে কী কী ঘটেছিল তা সবটা কারো পক্ষেই কোন দিন জানা সম্ভব হবে না। তবে কেন্দ্রে মোদি সরকারের সমর্থক হয়ে উঠেছে এআইডিএমকে। জয়ললিতার দলের লোকসভার সদস্য এম  থাম্বিদুরাই হয়েছেন ডেপুটি স্পিকার। আর কর্ণাটকের কংগ্রেস সরকার হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করতেই কাটিয়ে দিয়েছিলেন বেশ কিছুটা সময়। কারণ জয়ললিতাকে বোধ হয় প্রয়োজন ছিল সব দলের?