কীভাবে প্রতারণা চালাত রোজভ্যালি

তাপস পাল ও  সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতারের পর ফের চর্চায়    রোজভ্যালি ও চিটফান্ড। গত বছর মে সুপ্রিম কোর্ট সারদা সহ ৪৪টি চিটফান্ডের( কেন সব চিটফান্ডের বিরুদ্ধে নয়!) বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেও রোজভ্যালির  বিরুদ্ধে  তদন্ত এগিয়েছে যথেষ্ট ঢিমেতালে। কয়েকদিন আগেই  রোজভ্যালির ১২৫০ কোটি টাকার সমপ্তি বাজেয়াপ্ত  করে ইডি।

কীভাবে প্রতারণা করত রোজভ্যালি?

রোজভ্যালির মত সংস্থাগুলো টাকা তোলে যে স্কিমে তাকে বলা হয় পনজি স্কিম। অনুমোদনহীন কালেক্টিভ ইনভেস্ট স্কিমের আড়ালে জমি, গাছ, হোটেলের রুম বুকিং বা অন্য কিছু কেনার জন্য বুকিংয়ের নামে প্রথমে আমানতকারীদের থেকে বাজার তুলনায় বেশি সুদের লোভ দেখিয়ে আমাতন সংগ্রহ করে এরা। এর পর অন্য আমানতকারীদের জমা টাকা থেকে সুদ ও আসল ফেরত দেওয়া চলে। এরা দাবি করে থাকে এদের প্রচুর সম্পদ আছে সেই সম্পদ বিক্রি করে দেনা মেটাতে এরা সক্ষম। আসলে ভুয়ো জমির দলিল বা কাগজ দেখায় এরা। এরা কোন উত্পাদন বা সম্পদ তৈরির প্রক্রিয়াতে মূলত বিনিয়োগ করে না। চ্যানেল, ফিল্মের নামে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করলেও এদের আসল কাজ প্রতারণা।