ভাবাদিঘির পর আন্দোলনের পথে পশ্চিম অমরপুরের বাসিন্দারাও

0
15

ভবাদিঘির পর এবার পশ্চিম অমরপুর,দিঘি এড়িয়ে রেললাইন বসানোর দাবিতে ইতিমধ্যেই আন্দেলন শুরু করেছেন গোঘাট ১ নম্বর ব্লকের ভবাদিঘির মানুষজন।এবার গোঘাট ২ ব্লকের পশ্চিম অমরপুরের বাসিন্দারাও তারকেশ্বর বিষ্ণুপুর রেল পথে বাঁধার দেওয়াল তোলার প্রস্তুতি নিতে শুরু করলেন।এঁদের দাবি বন্যাপ্রবণ এলাকায় মিটি দিয়ে বাঁধ করে রেল লাইন পাতলে এই এলাকার বন্যার জল বের হতে পারবে না,চরম দূর্ভোগের মধ্যে পরতে হবে বন্যার সময় এলাকাবাসীদের, তাই রেল ব্রিজের দাবিতে এই এলাকার চার পাঁচটি গ্রামের মানুষ একযোগে আন্দোলনে নামতে চলেছে।গোঘাট ২ব্লকের এই স্থান জুরে রয়েছে প্রচুর কৃষিজমি,এলাকার মানুষজন জানাচ্ছেন যেখান থেকে রেল লাইন পাতার সিদ্ধান্ত হয়েছে তা পুরোপুরি বন্যাকবলিত,প্রত্যেক বার হড়কা বাণে গোটা গ্রাম জলের তলায় চলে যায়,তাই তাদের আশঙ্কা এখানে বাঁধ দিয়ে রেল লাইন পাতা হলে জল বের হবে না,চরম ক্ষতি হবে গ্রামবাসীর।তাই সকলে গার্ডার ব্রিজের দাবিতে আন্দোলন করতে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।এমনকি জমি দাতারা সঠিক দাম পায়নি বলেও অভিযোগ উঠছে।ভাবাদিঘি থেকে এই এলাকার দুরত্ব ছয় কিলোমিটার,হুগলি ও বাঁকুড়ার সীমানা সংলগ্ন এই এলাকায় ১৮৩ জনের জমি রেলের প্রকল্পের মধ্যে পড়েছে,মোট জমির পরিমান ১৩১ একর।এলাকার মানুষইতিমধ্যেই রেল চালাও গ্রাম বাঁচাও নামে একটা কমিটি তৈরি করে সরকারের কাছে চার দফা দাবি পেশ করেছে।দাবি জমির উপযুক্ত দাম দিতে হবে,নিকাশির ব্যবস্থার গ্যারান্টি দিতে হবে,গার্ডার ব্রিজ তৈরি করে লাইন পাততে হবে,রেল লাইনের জন্য যে রাস্তা বন্ধ হবে তার বিকল্প রাস্তা করে দিতে হবে।এই দাবি মানা না হলে লাইন পাততে দেওয়া হবে না বলে হুশিয়ারি এলাকাবাসীর।এই আন্দোলনে ও সামিল এলাকার তৃণমূল সমর্থকরা,স্বাভাবিক ভাবেই অস্বস্তি বাড়ছে স্থানীয় নেতৃত্বের।এলাকার বিধায়ক তৃণমূলের মানস মজুমদার জানিয়েছেন এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হবে.তাদের কেউ বাইরে থেকে উসকানি দিচ্ছে কিনা খোঁজ নিতে হবে,যা করার বুঝিয়েই করতে হবে।রেলের বক্তব্য,এ বিষয়ে যাবতীয় সিদ্ধান্ত রাজ্যকেই নিতে হবে।সব মিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের রেল প্রপল্পে যে আর একটা বাঁধার প্রাচির উঠতে চলেছে তা বলাই যায়।