মাওবাদী নেতা নারায়ণ সান্যাল( বিজয়দা) প্রয়াত

প্রয়াত হলেন cpi( মাওবাদী) নেতা নারায়ণ সান্যাল ওরফে বিজয়দা(৭৮)। ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। গণপতির পর দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নেতা দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর কিছুদিন আগে জামিনে মুক্তি পান। ব্যাঙ্কের চাকরি ছেড়ে নকশালবাড়ি আন্দোলনে যোগ দেন তিনি। সিপিআই (এম এল) এর ভাঙনের পর কয়েকজনের সঙ্গে মিলে সিপিআইএল (পার্টি ইউনিটি) গঠনের অন্যতম কারিগর ছিলেন বিজয়। সিপিআই পিপলস ওয়ারের সঙ্গে পার্টি ইউনিটির সংযুক্তির সময় পার্টি ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। পরের cpi( মাওবাদী) এর পলিটব্যুরোর সদস্য হন নারায়ণ সান্যাল। মূলত বিহারে কাজের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত থাকলেও শেষ দিকে ছত্তিশগড়ে দলের কাজ করতেন বিজয়দা। সেখানেই ২০০৫ সালে গ্রেফতার হন তিনি। দীর্ঘ প্রায় ৯ বছর জেলে বন্দি থাকার পর ২০১৪ সালে জামিনে মুক্তি পান এই মাওবাদী শীর্ষনেতা । তার পর থেকে কলকাতাতেই থাকছিলেন তিনি। তাত্ত্বিক নেতা হিসাবে পরিচিত ছিলেন বিজয়দা। যদিও সামরিক বিষয় তার সীমাবদ্ধতা লুকোতেন না তিনি। এক মাওবাদী সমর্থক জানান বিজয়দা তাঁকে বলেছিলেন রাজনীতিটা ভালই বুঝি ,সামরিক দিকটা অতটা বুঝি না। যদিও সেটা পার্টির শীর্ষ নেতার বোঝা অত্যন্ত জরুরি বলে তাঁকে জানিয়েেছিলেন বিজয়দা। এরকম অকপটে কথা বলার সাহসই নারায়ণ সান্যালকে বিজয় হতে সাহায্য করেছিল বলে মত ওই মাওবাদী সমর্থকের। নারায়ণ সান্যালের মৃত্যুতে দল তথা মাওবাদী শিবির হারাল এক অত্যন্ত বড় মাপের রাজনৈতিক নেতাকে।

নারায়ণ সান্যালের মরদেহ রাখা থাকবে পিস হেভেনে। নারায়ণ সান্যাল স্মরণ কমিটির তরফে ২০ এপ্রিল, বৃহষ্পতিবার, সকাল ১০টায় তাঁর শেষযাত্রায় সবাইকে সামিল হওয়ার ডাক দেওয়া হয়েছে। রফি আহমেদ কিদওয়াই রোড থেকে শুরু হয়ে তা শেষ হবে  ক্যাওড়া তলা শশ্মানে।

 

ছবি IE এর সৌজন্যে

,