সংসদীয় গণতন্ত্র না প্রহসন!

0
10

সংসদীয় গণতন্ত্রের আসল চেহারা আবার সামনে এল,এ রাজ্যে সাতটি পুরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে।রবিবার দার্জিলং এর চারটি পুরসভা ছাড়াও রায়গঞ্জ,ডোমকল,ও পূজালি পুরসভার নির্বাচন পর্ব শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বন্দুক ধারীদের দাপাদাপি শুরু হয়ে যায়।শাসক দলের দাপটে ডোমকল,রায়গঞ্জ,ও পূজালিতে মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন।বুথ দখল থেকে ভোটার মেশিন ভাঙচুর করা কোন কিছুই বাকি রাখেন নি গণতন্ত্রের সাধকরা।অধিকাংশ জায়গাতেই পুলিশ নীরব দর্শক।শুধু তাই নয় এক পুলিশ কর্মী সাংবাদিকদের প্রশ্নে বলেই ফেললেন,গন্ডোগোল থামাতে গিয়ে প্রাণ খোয়াতে রাজি নয় তাঁরা।তাই অবাধ লুঠতরাজের ভোট পর্ব চলছে।ডোমকল,পূজালির পুরসভার লড়াই থেকে প্রার্থী তুলে নিতে বাধ্য হয়েছে বিরোধী দল কংগ্রেস ও সিপিএম।পেশী শক্তির  ব্যবহারে ভোট ছিনতাই করাটাই গণতন্ত্র,যার যখন ক্ষমতা সে এ ভাবেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে। এ রাজ্যে বামেরাও এক সময় তাই করেছে।এখন তৃণমূল করছে।ভোট ছিনতাই করে ক্ষমতা দখল করার পর সকলেই বলেন মানুষ নাকি তাদের সঙ্গে আছে।অসহায় মানুষ গণতন্ত্র নামক এই প্রহসনের সাক্ষীগোপাল হয়েই থেকে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।যাঁরা বলবেন এ দেশে সর্বত্র তো গণতন্ত্রের এই চেহারা দেখা যায় না,এটা শুধু এ রাজ্যের ক্ষত্রেই হয়। আমরা বলবো ভুল,এ দেশে গণতন্ত্র সর্বত্রই পেশী শক্তি নির্ভর। যেখানে শাসক ও বিরোধী শক্তির একটা ভারসাম্য থাকে সেখানে সংসদীয় গণতন্ত্রের কঙ্কালসার চেহারাটা  অতটা সামনে আসে না।এ রাজ্যে বিরোধী শূন্য করার এক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আর তাই সংসদীয় গনতন্ত্রের প্রহসন এরকম খুল্লাম খুল্লা হয়ে পড়ে।