শিক্ষায় স্বশাসন আগেও ছিল না এখনও নেই!

0
9

ক্ষমতায় আসার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বার বার শিক্ষায় স্বসাশনের দাবিতে মুখর হতেন।অথচ মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসে তিনিই বারবার বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে যে স্বসাশন রয়েছে তাকে উপেক্ষা করে চলেছেন।দিন কয়েক আগে যে ভাবে মালদহের প্রশাসনিক বৈঠকে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য উপস্থিত না হওয়ায় তাঁকে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী তাতে মনে হওয়া স্বাভাবিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলির স্বশাসন বিষয়ে তিনি বোধহয় আদৌ অবগত নন।একজন স্বশাসিত সংস্থার প্রধান কেন মুখ্যমন্ত্রীর ডাকা প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত থেকে তাঁর কাজের কৈফিয়ত মুখ্যমন্ত্রীকে দেবেন?এর আগেও আমরা দেখেছি যাদবপুরে উপাচার্য বদল করতে তিনি নিজেই সেখানে চলে গেছিলেন এবং ঘোষণা করেছিলেন নতুন উপাচার্যের নাম,প্রেসিডেন্সিতেও স্বশাসন উপেক্ষা করেছিলেন।বিশ্ববিদ্যালয় গুলিকে এভাবে সরাসরি নিয়ন্ত্রন করতে চাইলে স্বশাসনের আর কোন মানে থাকে না।শিক্ষামন্ত্রী যেদিন বলেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে তারা মাথা গলাবেন কারণ মাইনেটাতো তাঁরাই দেন,সেদিনই অবশ্য শিক্ষার স্বশাসনের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে গেছিল।এ রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের এখন মানসিক প্রস্তুতি নেওয়ার সময় এসে গেছে,কিভাবে প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত থেকে মুখ্যমন্ত্রীর হুকুমের দাসত্ব করা যায়,না হলে চাকরী অনিশ্চিত।হায়!এই হল পরিবর্তনের শিক্ষা ব্যবস্থা!