সংবাদমাধ্যমকে বংশবদ করেও পুলিশ দিয়ে সাংবাদিক পেটাতে হল কেন?

0
10

নির্মমভাবে সাংবাদিকদের পেটাল তথাকথিত মা-মাটি-মানুষের সরকারের পুলিশ।সাংবাদিকদের অপরাধ তাঁরা বামেদের ডাকা নবান্ন অভিযান ব্যর্থ করতে পুলিশের জুলুমবাজির ছবি ও খবর সকলের সামনে তুলে ধরছিলেন।তাই একের পর এক ক্যামেরাও ভেঙে দেওয়া হয়েছে।এই মূহুর্তে এ রাজ্যের সংবাদমাধ্যমের একটা বড় অংশই সককারের দালাল এ পর্যবসিত হয়েছে,পড়তে হয় না হলে পেছিয়ে পড়তে হয় বলে স্লোগান তোলা বাংলার স্বঘোষিত অভিভাবক সংবাদ মাধ্যমটির রঙ পাল্টানোর বহর দেখে গিরগিটিও লজ্জা পাবে,আর ভগবানকেও ভয় না পাওয়া সংবাদপত্রটির কাছে এখন মমতাই একমাত্র ভগবান,অন্যদিকে আবার সব সংবাদমাধ্যমের মাথাতেই বসে পড়েছেন তৃণমূলি উন্নয়নধারীরা,ফলে মিডিয়া জুরে এখন শুধুই তৃণমূলি ভজনা।তাতেও সাংবাদিকদের রক্ষে নেই,পিটিয়ে রক্তাক্ত করে দেওয়া হল তাদের,রেহাই মিললো না মহিলা সাংবাদিকদেরও।যা খবর পাওয়া যাচ্ছে তাতে ২৮জন আহত,হাসপাতালে রয়েছেন ১৪জনের মতো।যে বীরপুরুষ পুলিশ এ ভাবে সাংবাদিকদের পেটায়,তারাই তৃণমূলি গুন্ডাদের ভয়ে আশ্রয় নেয় টেবিলের তলায়,এদের দেখা পাওয়া যায় না যখন ভোট লুট করে দুষ্কৃতী  দল,রাস্তাঘাটে মহিলাদের ওপর নিপীড়ন চলাকালীনও এরা এরা অদৃশ্যই থাকে,এদের বীরত্ব প্রকাশ পায় শুধু বিরোধীদের শায়েস্তা করতে।সরকার তথা পুলিশ মন্ত্রীর আজ্ঞা পালন করার আগে এরা কোনদিন কি ভেবে দেখবেন,যাঁদের ওপর এরা অত্যাচার করে চলেন সেই সাধারন মানুষের ট্যাক্সের পয়সাতেই এদের ভরণ পোষন হয়,এদের সংসার রক্ষা হয়।আমাদের জানার ইচ্ছে রইলো পুলিশ কবে মানুষ হবে?আর সাংবাদিকরাও এবার একটু নিজেদের সম্মান নিয়ে ভাবুন,শুধু মালিকের কথায়,বা একশ্রেণী সরকার চাটুকার বসের আজ্ঞা পালন করার বাইরেও সাংবাদিকতার একটা পরিসর থাকা দরকার,যেখানে সাংবাদিকতা মানে নিছক একটা পেশা নয়,সাংবাদিকতা মানে একটা আদর্শ-নৈতিকতার প্রতি দায়বদ্ধতাও,জানি আজকের পরিস্থিতিতে বিষয়টা হাস্যকর শোনাবে,তবু সাংবাদিকতাকে রক্ষা করতে আলাদা একটা পরিসর তৈরি করতে হবেই,তার জন্য জোট বাঁধতে হবে,একত্রিত হতে হবে।তা না হলে দালালদের ইচ্ছে অনুযায়ী কাজ করে যেতে হবে,তাতে পয়সা মিলবে সম্মান নয়,মার খেলেও মানুষ বলবে দালালি করলে এরকম মার মাঝেমধ্যে খেতে হয়।বিশ্বাস করুন সোমবার মার খাওয়া সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে অনেক পরিচিত মানুষজনকে বলতে শুনেছি, ঠিক হয়েছে আর সরকারের দালালি কর!আমি জানি সবাই দালালি করে না,উপর তলার চাপে মেনে নিতে বাধ্য হয়,আর সেই চাপকে প্রতিহত করতেই দরকার জোট বাঁধা,একত্রিত হওয়া।আহত সাংবাদিক বন্ধুরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন তারপর নতুন করে ভাবুন,আমাদের প্রত্যাশা রইলো।