নাগরিক সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান পুলিশ ও শাসক দলের গুন্ডা বাহিনীর দ্বারা আক্রান্ত প্রতিবাদী ভঙড়বাসীদের

ভাঙড়কে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরে বন্দুক আর বোমার নিশানার কেন্দ্রে এনে পাওয়ার গ্রিড বিরোধী আন্দোলনকে কব্জা করার এক ভয়াবহ প্রয়াস শুরু করেছে আরাবুল  ও তার গুন্ডাবাহিনী।ভাঙড়ের আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ তুলে, নাগরিক সমাজের কাছে আবেদন করা হয়েছে তাঁরা যেন অবিলম্বে ভাঙড়বাসীর পাশে দাঁড়ান।বস্তুত,গত কয়েকদিন ধরে সশস্ত্র গুন্ডাবাহিনী ভাঙড়ের একাধিক এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।সাধারণ গ্রামবাসীর ঘরে আগুন দেওয়া,মহিলাদের উপর অত্যাচার চালানো,মারধোর করা চলছেই।গ্রামবাসীদের বাইরে কাজে যাওয়ার পথ বন্ধ,বেরুলেই পুলিশ গ্রেপ্তার করছে।অনেককে আন্দোলন থেকে সরে যাবার মুচলেখা দিতে বাধ্য করা হয়েছে।পুলিশ আর গুন্ডা হাত ধরাধরি করে অত্যাচার চালাচ্ছে।প্রতিবাদীদের জব্দ করতে চারপাশ থেকে সশস্ত্র বাহিনী দিয়ে গোটা ভাঙড়কে ক্রমশ ঘিরে ফেলা হচ্ছে।ভাঙড়বাসীর অভিযোগ শাসক দলের শীর্ষ মহল থেকেই এ ভাবে ভাঙড়কে কব্জা করার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা হয়েছে।পুলিশ পুরোপুরি গুন্ডাবাহিনীকে মদত দিয়ে চলেছে।এই সূত্রেই  শোভন চট্টোপাধ্যায় সম্প্রতি এক জনসভায় হুঙ্কার দিয়েছেন তাঁদের ভদ্রতাকে যেন দূর্বলতা না ভাবা হয়, ইঙ্গিত পরিষ্কার এবার গুন্ডা দিয়ে দখল করা হবে। মিডিয়ার একটা বড় অংশ ভাঙড়ে ঘটে চলা ভয়াবহ পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করার গসিদ্ধান্ত  নিয়েছে,সরকারী নির্দেশেই ভাঙড়ের ঘটনাকে প্রচারে না আনার সিদ্ধান্ত।সরকারী বিজ্ঞাপন না দেওয়ার হুমকি দিয়েই মিডিয়াকে দিয়ে ভাঙড়ের ভয়াবহ ঘটনাকে ব্লাক আউট করা হচ্ছে বলে ভাঙড় আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত একাধিক মানবাধিকার আন্দোলন কর্মীর অভিযোগ।এমত পরিস্থিতিতে সমাজের সকল নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের ভাঙড়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে,তাঁদের আন্দোলনকে বাঁচিয়ে রাখার আবেদন জানাচ্ছেন ভাঙড়বাসীরা।

,