PACL চিটফান্ডের দেনা ৮০ হাজার কোটি, কিন্তু কোন প্রভাবশালীই গ্রেফতার হল না আজও

0
19

আমানতকারীদের কাছে PACL এর দায় ৮১৫০০ কোটি  টাকা আর সম্পদের অঙ্ক প্রায় ৭৬০০ কোটি টাকা। PACL চিটফান্ডের আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্ ২০১৬ সালে গঠিত লোধা কমিটি তার রিপোর্টে এই তথ্য জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টকে।সেই সঙ্গে কমিটি সর্বোচ্চ আদালতকে জানিয়েছে এখনও পর্যন্ত PACL তাদের সব সম্পত্তির তালিকা কমিটির কাছে জমা দেয়নি।
এরাজ্যে যখন সারদা নিয়ে গলা ফাটাচ্ছে বিজেপি তখন PACL নিয়ে তারা নীরব। সারদা কেলেঙ্কারি পর্দা ফাঁস হওয়ার আড়াই বছর পর ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে গ্রেফতার করা হয়েছে PACL এর মালিক নিমর্ল সিং ভাঙ্গুকে। ততদিনে ভাঙ্গু সবটাকাই বিদেশে পাচার করে দিয়েছে বলে সূত্রের খবর। 
PACL আমানতকারীদের থেকে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা  তোলার পর ২০১৪ সালের অগস্ট মাসে সুদ সমেত সেই টাকা আমানতকারীদের ফেরত দিতে PACL কে নির্দেশ দেয় সেবি। PACL কে আর টাকা তুলতেও নিষেধ করে সেবি। সেবির সেই আদেশে কান না দিয়ে তার পরও খোদ প্রধানমন্ত্রীর রাজ্য গুজরাট থেকেও টাকা তোলে PACL। এর পর বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থাকে চিঠি লিখে নিজেদের দায় ঝেড়ে ফেলেছে সেবি। প্রশ্ন উঠছে সেবির গড়িমশি নিয়েও।

রাজস্থান ও পাঞ্জাবে মূল কর্মকান্ড হলেও পিএসিএলের প্রতারণা চলেছে দিল্লি, মুম্বই সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে। বছর তিনেক আগে একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি দৈনিকে পিএসিএলের প্রতারণার খবর প্রথম বিস্তারিতভাবে প্রকাশ পায়। তা থেকে জানা যায় পিএসিএল এত জমি কিনেছে বলে দাবি করেছে তা নাকি বেঙ্গালোর শহরের আয়তনের থেকেও বেশি।যদিও এর কোন রেজিস্ট্রেশন করানোর প্রমাণ নেই। ২০১০ সালে রাজস্থানে ভারত- পাক সীমান্তের কাছে প্রায় ১০ হাজার একর জমি, যার কোন ব্যবহারিক মূল্য নেই, তা পিএসিএল কেনে বলে জানা যায় ওই রিপোর্টে। সারদা রোজভ্যালি নিয়ে কিছুটা হইচই হলেই PACL বা সাহারা নিয়ে তেমন কোন সক্রিয়তা সরকার বা কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির দেখা যাচ্ছে না। সারদা -রোজভ্যালি যদি রাজ্যের শাসকদলের আশ্রয় ও প্রশ্রয় চলে তাহলে PACL বা সাহারার ক্ষেত্রে কি এর ব্যতিক্রম ঘটার কোন কারণ আছে ! ভুলে গেলে চলবে না সাহারার সুব্রত রায়ের নাতনির অন্নপ্রাশনে বিজেপি ও কংগ্রেসের তাবড় নেতারা হাজির ছিলেন। সে কি এমনি এমনি?