কলেজস্ট্রিটের প্রতিবাদে এবার পাহাড়ে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পোস্টার

এ শহর কলেজস্ট্রিট কে চেনে তার প্রতিবাদ মুখরতার জন্যই,এ শহর জানে কলেজস্ট্রিট আসলে বিশ্বের যে কোন প্রান্তে হওয়া অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার জন্য এক উর্বর প্রান্তর,কলেজস্ট্রিট সম্পর্কে এ শহর বয়ে চলে অনেক ঐতিহাসিক ঘটনা পরম্পরার স্মৃতি।তাই প্রশাসন যখন চট জলদি ঘোষণা করে কলেজস্ট্রিটে কাজের দিন আর মিটিং মিছিল করা যাবে না,তখন তুমুল কেঁপে ওঠে প্রতিবাদের আবেগ বিহ্বলতা,আর কোন সংগঠনের ছত্রছায়া ছাড়াই গোটা কলেজপাড়া জুড়ে ধ্বণিত হতে থাকে কয়েকটি শব্দ,যে শব্দ কলেজ পাড়ার প্রত্যেকটা বাড়ি দোকানের ইঁটও হয়তো বা বছরের পর বছর   শুনে শুনে মুখস্ত করে ফেলেছে,মানছি না,মানবো না।হাঁ,এই কয়েকটা শব্দের মধ্যেই ধরা আছে কলেজস্ট্রিটের সংস্কৃতি।তাই একটা ফরমান জারি করে যারা ভেবেছিলেন কলেজপাড়াকে চুপ করিয়ে দেবেন,তারা দেখছেন প্রতিদিন রকমারি প্রতিবাদ নিয়ে হাজির হচ্ছে কলেজস্ট্রিট।একদল প্রতিবাদী মুখে কাল ফেট্টি বেঁধে নিয়ম করে কলেজস্ট্রিট চত্ত্বরে বসে বই পড়ছেন।তাঁদের পোস্টার-ফস্টুনে থাকছে প্রতিবাদী স্লোগান।মিছিল করে চলে আসছেন কেউ কেউ।কলেজস্ট্রিটের প্রতিবাদ থামছে না।মৌন প্রতিবাদীরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সামনের সপ্তাহ থেকে তারা প্রতিবাদ পোস্টারে পাহাড় প্রসঙ্গ রাখবেন।পাহাড়ে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চলছে কেন,আর্মি দিয়ে পাহাড়ের মানুষের গণতান্ত্রীক অধিকার হরণ করা হচ্ছে কেন তার প্রতিবাদেও পোস্টার থাকবে কলেজস্ট্রিটে মিটিং মিছিলের অধিকার ফিরে পেতে চাওয়া মৌন প্রতিবাদীদের হাতে।কলেজপাড়া প্রমাণ করছে তার আয়তনের চেয়ে হৃদয় আর অনেক অনেক বড়।প্রশাসন টের পায় না,কারণ প্রশাসনের শুধু ক্ষমতার দম্ভ থাকে,থাকে রক্ত চোখ,মন থাকে না।যে মন হৃদয়ের অণুরননে কেঁপে ওঠে,অন্যের দুঃখে কাঁদে,মনুষ্যত্বের আলো ছড়ায়।এ শহর জানে কলেজস্ট্রিট মনুষ্যত্ব আর মানবিকতার সংস্কৃতিকে বহন করবেই যে কোন মূল্যে,তাই কলেজপাড়ার প্রতিবাদ চলছে চলবে।

,