এদেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত আদৌ কি দুর্নীতিকে পর্দা ফাঁস করার জন্য?

0
27

২ টাকা পাচারকারী, সুরেন্দ্র জৈন, বীরেন্দ্র জৈনকে গ্রেফতারের পর তদন্তে নেমে লালু প্রসাদের  মেয়ের বাড়ি, ফার্ম হাউস সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় হানা দিয়েছে ইডি। জৈনদের বিরুদ্ধে অভিযোগ বহু ভুয়ো কোম্পানির মাধ্যমে প্রায় ৮ হাজার কোটি  কালো টাকা সাদা করেছে। লালুর মেয়ে মিশার কোম্পানিও তার মধ্যে সামিল। লালু সহ বিরোধীরা অভিযোগ বিরোধী স্বরকে স্তব্ধ করতেই বিজেপির এই হামলা। লালু বা তার পরিবারের হয়ে সার্টিফিকেট দেওয়ার সাহস কারো নেই। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে ৮ হাজার কোটি কালো টাকা সাদা করা হল অথচ যাদের টাকা সাদা করা হল তাদের গ্রেফতার করা হল না কেন? মিশা ও স্বামীর কোম্পানিতে যে অঙ্কের টাকার ভুয়ো লেনদেন হয়েছে তা মাত্র কয়েক কোটি। আমাদের অনেকেরই হয়তো মনে নেই নোট বাতিল হওয়ার ঠিক আগে গুজরাটের এক ব্যক্তি প্রায় ১৩ হাজার কোটি কালো টাকা স্বেচ্ছা প্রকল্পে ঘোষণা করেছিল। পরে মিডিয়ার সামনে দাবি করেছিল এই টাকা রাজ্যের সব প্রভাবশালী ব্যক্তির। সেই ঘটনায় কোন প্রভাবশালী গ্রেফতার হয়েছে বলে শোনা যায়নি। রবার্ট বড্রা নিয়ে বিজেপি হৈচৈ করলেও তাকে এখন গ্রেফতার করেনি বিজেপি। কর্ণাটকের খনি মাফিয়া তথা বিজেপির প্রাক্তন মন্ত্রী তথা ঘনিষ্ঠ জনার্ধন রেড্ডিকে ক্লিনচিট দিয়েছে কর্ণাটক হাইকোর্ট। ফলে এদেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত একটা খেলায় পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। ফলে লালুর বিরুদ্ধে তদন্ত আসলে সেরকমই। তাই লালুও তাতে খুব একটা ভয় পাবেন বলে মনে হয় না।