অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে দু-চারকথা

২০১২-১৩ আর্থিক বছর দাগি প্রোমোটার  রাজকিশোর মোদির কোম্পানি গ্রিটটেক ১ কোটি টাকার বেশি দেয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোম্পানি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসকে। টাইমস নাও য়ের দাবি এটা কমিশন। আবার কখনও বলেছে বিনিয়োগ। সে যাক। ২০০৯ সালে এই জমি মাফিয়া রাজকিশোরের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল স্বয়ং মমতা। তার কাছ থেকে অভিষেক যে  টাকা পেয়েছিলেন তার তদন্তের দাবি জানিয়েছে টাইমস নাও।  এরাজ্যে পাড়ার একটা ছোট  প্রোমোটারও শাসকদলের স্থানীয় কাউন্সিলরকে তোলা না দিয়ে নির্মান- ও বে -নির্মান করে না। যেখানে প্রোমোটার -বালিয়া মাফিয়া -সিন্ডিকেটদের তোলাবাজিতেই রাজনৈতিক দলগুলো টিকে আছে সেখানে এই পর্দা ফাঁস কি চমকে ওঠার মত। এরাজ্যে সারদা -নারদার পরও কি কোন বেআইনি কাজকি বন্ধ হয়েছে? আমাদের অনেকেই হয়তো ভুলে গেছি বালিতে এক পুরকর্মীর বাড়িতে নগদ ২০ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছিল। যদি বালির মত একটি পুরসভা এরকম লেনদেন চলে তাহলে কলকাতা, হাওড়া, দমদম বা বিধাননগর, সোনারপুরে কত টাকার খেলা  চলতে পারে তা আমরা অনুমানও করতে পারি না।vip রোডের ধারে জমির দাম বাড়াতে নয়ানজুলিগুলিকে বুজিয়ে দেওয়া হল সবার সামানেই।  রাজনৈতিকদলগুলোর আশ্রয় ও প্রশ্রয় ছাড়া এস সম্ভব নয়। দুর্নীতি এটা একাট ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে। ভোটের পার্টিগুলো তাদের বল ভরসা। সবাই সব কিছু জানে। ওই পর্যন্ত।