প্রচারে ধনঞ্জয়কে নিয়ে ছবি, অথচ প্রচার পায় না গবেষণামূলক বই

অরিন্দম শীলের ছবি ধনঞ্জয় মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার। তার আগে এই ছবির সেন্সর সার্টিফিকেট নিয়ে এক চোট জলঘোলার পর a মার্কা ছবি হিসাবে মুক্তি পেতে চলেছে ধনঞ্জয়। ছবির পরিচালক অরিন্দম চৌধুরী দাবি করছেন অনেক গবেষণার ফসল তার এই ছবি । কতটা গবেষণা অরন্দিম করেছেন তা সময়ই বলবে তবে এই ছবির আগে ধনঞ্জয় ফাঁসি নিয়ে প্রশ্ন তুলে পুনর্বিচারের দাবি করেছিলেন  কয়েকজন অধ্যাপক। লিখেছেন আদালত- মিডিয়া- সমাজ  এবং ধনঞ্জয়ের ফাঁসি একটি বইও।তা যে দীর্ঘ গবেষণার ফসল তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।

হেতাল পারেখকে ধর্ষণ করে খুনের অপরাধে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল ধনঞ্জয় চ্যাটার্জী নামে এক নিরাপত্তারক্ষীকে। দিনটা ছিল ২০০৪ সালের ১৪ অগস্ট । সেই সময় তাঁর ফাঁসির পক্ষে সরব হয়েছিল মিডিয়া থেকে তত্কালীন মুখ্যমন্ত্রীর জায়া পর্যন্ত। অরিন্দম শীলরা তখন ওই শিবিরেই ছিলেন। অরিন্দম সেই সময় ফাঁসির বিরোধিতা করেছিলেন কিনা জানা নেই তবে কিছু মানুষ এই ফাঁসির বিরোধিতাও করেছিলেন। সেই ফাঁসি নিয়ে বিতর্ককে ফের উস্কে দিল   ও পরমেশ গোস্বামীদের মতে ধনঞ্জয়কে সাজান প্রমাণের মাধ্যমে খুন করা হয়েছে।আদালত- মিডিয়া- সমাজ  এবং ধনঞ্জয়ের ফাঁসি বইটি। ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউটের দুই অধ্যাপক ও এক ইঞ্জিনিয়ারের দীর্ঘদিনের গবেষণার ফসল এই বই। এই বইয়ের লেখক দেবাশিস সেনগুপ্ত. প্রবাল চৌধুরী হয়তো ব আড়াল করা হয়েছে হেতালরের মা কে। গবেষণা ও ঘটনার পরম্পরা বিশ্লেষণ করে লেখকেরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে হেতালকে ‘অনার কিলিংয়ের’ জন্য তার মা নিজেই খুন করে থাকতে পারেন।  যারা এই অপরাধ করে থাকতে পারতেন বলে ঘটনা পরম্পরায় দেখা যাচ্ছে তাঁদের ছাড় দিয়েছে পুলিস। পুলিসি তদন্ত আগাগোড়ায় হয় গলদে ভরা নয়তো সাজান। তাই পুনরায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছেন তাঁরা। তবে লেখকেরা সংশয়ও প্রকাশ করেছেন তা আমাদের দেশের আইনে আদৌ সম্ভব কি না!