সরকার পাহাড়বাসীর খাদ্যের যোগান দিক

পাহাড়ের মানুষের চরম খাদ্য সংকট তৈরি হয়েছে,দীর্ঘদিন খাদ্যের যোগান না থাকায় পাহাড়বাসী এখন কার্যত অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।রাজ্য সরকারের তরফে সেখানে খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার কোন উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।ভাবখানা অনেকটা  এরকম যে দেখ্ না  খেয়ে আলাদা রাজ্যের দাবিতে লড়তে কেমন লাগে!রাজ্য সরকারের এই মানসিকতা বদলের  প্রয়োজন,গণতান্ত্রীক সরকার তার নাগরিকদের সঙ্গে এমন আচরণ করতে পারে না,নাগরিকের ক্ষোভ দাবি থাকতে পারে,কিন্তু সরকার মানে সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ প্রশাসন তাকে নিয়ম মানতে হয়,নিয়মের কাছে সে বাঁধা।সেই বাধ্যবাধকতাতেই রাজ্য পাহাড়ের মানুষের খাবারের যোগান দিক,সমস্যা মেটানোর জন্য যে কোন ব্যবস্থা হোক,কিন্তু তা বলে খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে পাহাড়বাসীকে শায়েস্তা করা,মানবিকতা -নৈতিকতা কোন দিক থেকেই মানা যায় না।যারা বুকের রক্ত দিয়ে বাংলা ভাগ রুখবেন বলে আওয়াজ তুলছেন,তারাও ভাববেন না কেন,যে পাহাড়কে যদি এরাজ্যের অংশ বলেই মনে করেন,তাহলে সেখানকার মানুষগুলো তো আমাদের রাজ্যেরই সহ নাগরিক,সহনাগরিকদের অনাহার ঘচানোর দায়িত্বও নিতে হবে আপনাদেরকেই।পাহাড়কে ভালবাসবেন,পাহাড়কে এ রাজ্যের অংশ ভাববেন আর পাহাড়ের মানুষকে ভালবাসবেন না কেন?ভেবে দেখুন পাহাড়ের মানুষকে ভাল না বাসার কারণেই তাদের মধ্যে বিচ্ছিন্ন হওয়ার বাসনা চেপে বসেছে কিনা!পাহাড়ের আলাদা হওয়ার যুক্তি,পাল্টা যুক্তির বিতর্ক চলুক,গণতন্ত্রে সেটা স্বাভাবিক,তবে কোন ভাবেই স্বাভাবিক নয় পাহাড়ে খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া,পাহাড়ের মানুষের খাদ্য যোগান দিক সরকার,সর্বস্তর থেকে এই দাবি উঠুক,এ দাবি নৈতিকতার মানবিকতার,এ দাবি গণতন্ত্রেরও।