জীর্ণবাড়ি ভেঙে মৃত ৩ ,পুরসভার ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন

0
11

শহরজুড়ে কলকাতা পুরসভার বিপজ্জনক বাড়ি নিয়ে নানা সতর্কবার্তা চোখে পরে,তবে সেই সতর্কবার্তা যে খুব কার্যকরী ভূমিকা নিতে পারছে না তা প্রমাণ হল আবারও,মঙ্গলবার সকালে বড়বাজার এলাকার শিবতলা স্ট্রিটে ভেঙে পড়ে পুরনো তিনতলা বাড়ি।ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯১ বছরের এক বৃদ্ধের। আহত ২জনের পরে মৃত্যু হয় মেডিকেল কলেজে । স্থানীয় বিধায়ক স্মিতা বক্সি জানিয়েছেন বাড়িটিকে বিপজ্জনক বলে পুরসভার তরফে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল,বসবাসকারীদের অন্যত্র সরে যেতে বলা হয়েছিল কিন্তু ওরা সরেন নি।এক্ষেত্রে পুরসভার কিছু করার নেই বলেই তাঁর দাবি।তবে প্রশ্ন উঠছে,পুরসভা কি শুধুমাত্র বিপজ্জনক নোটিশ দিয়েই দায় ঝেরে ফেলতে পারে?যেখানে মানুষের জীবন মরণের বিষয় জড়িয়ে আছে সেখানে পুরসভা কেন আর বেশী কার্যকরী ভূমিকা নেবে না!কেন বিপজ্জনক বাড়ির বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে  নেওয়ার জন্য পুরসভাই উদ্যোগী হবে না?আর্থিক সংগতির অভাবে অনেকের পক্ষেই তো চটজলদি বাড়ি পাল্টানো সম্ভব হয় না অনেক সময়,এমনকি জীর্ণ বাড়ি সারাইয়ের ক্ষেত্রেও একই সমস্যা থাকতে পারে,সেক্ষেত্রে পুরসভা কি পারে না কোন ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে,কিংবা এ বিষয়ে  নির্দিষ্ট কোন তহবিল করতে?বিপজ্জনক বাড়ি চিহ্নিত করে দিলেই হয় না,সেই বাড়িকে বিপদমুক্ত করার দায়ও পুরসভাকেই নিতে হবে।আর্থিক সংগতি নেই তাই বিপজ্জ্নক বাড়িতে বাধ্য হয়ে থেকে গিয়ে বেঘোরে মানুষ মারা যাবে,এটা কোন উন্নত সভ্য সমাজের বিজ্ঞাপন হতে পারে না,হওয়া উচিতও নয়।প্রসঙ্গত একমাস আগে এই এলাকাতেই আর একটি বাড়ি ভেঙে পড়েছিল,কলকাতা জুড়ে এমন বিপজ্জনক বাড়ির সংখ্যা কয়েক লক্ষ,এই পরিসংখ্যান পুরসভারই।পুরসভা এ বিষয়ে সদর্থক কিছু উদ্যোগ গ্রহন করুক চাইছেন সাধারণ নাগরিকরাও।