দলের সঙ্গে দুরত্ব বাড়িয়ে সরকারি নিরাপত্তা নিতে অস্বীকার মুকুলের

0
9

দলে তাঁর গুরুত্ব কমছিল অনেকদিন ধরেই,কেন্দ্রীয় স্তরে যাবতীয় দায়িত্ব থেকেই তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।তবু তিনি ছিলেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি।দিন কয়েক আগে নির্বাচন কমিশনের কাছে তৃণমূলের যে পদ তালিকা পাঠানো হয়েছে সেখানে সহ সভাপতির পদটাই রাখা হয় নি,মানে কার্যত মুকুল রায়ের কোন পদ আর তৃণমূলে নেই।তাকে যে ক্রমশ কোণঠাসা করে ফেলার চেষ্টা চলছে সেটা বুঝতে পেরেই বুধবার মুকুল রায় নিজেই রাজ্য সরকারের দেওয়া জেড নিরাপত্তা নিতে অস্বীকার করলেন।এদিন তিনি নিরাপত্তা রক্ষীদের ফিরিয়ে দেন।এ বিষয়ে তিনি রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেবেন বলেও জানান।এতদিন মুকুল রায়ের পদ কেড়ে নেওয়া হলেও মুকুল রায় নিজে সে বিষয়ে কোন কথা বলেন নি,বরং বারবার বলে এসেছেন তিনি দলের অনুগত একজন সৈনিক সাধারণ হয়ে থাকতেও তাঁর কোন আপত্তি নেই।সেদিক থেকে এই প্রথম মুকুল রায় নিজে থেকে কোন সিদ্ধান্ত নিলেন যা দলের অনুমোদন ছাড়াই।মুকুল রায়ের এই সিদ্ধান্তের পরেই তাই জল্পনা শুরু হয়েছে তিনি কি দল ছাড়ছেন খুব তাড়াতাড়ি!কেউ কেউ বলছেন নিজে থেকে নিরাপত্তা না ছাড়লে তাঁর নিরাপত্তা এমনিতেই তুলে নেওয়া হতো,বুঝতে পেরে আগে থেকেই তা ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা করে তিনি মান বাঁচাবার চেষ্টা করলেন।

মুকুল রায়ের এই ঘোষণার পর তার দল ছাড়া,নতুন দল করা,বা বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে রাজ্য রাজনীতি সরগরম হয়ে উঠেছে,অনেকেই মনে করছেন এবার রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ শুরু হতে যাচ্ছে,তবে সত্যি কি ঘটবে তা বলা মুশকিল কারণ এর আগেও দল ছাড়বো ছাড়বো করেও শেষ পর্যন্ত তিনি তৃণমূলেই থেকে গেছিলেন,সেটা নাকি তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর বোঝাপড়ার খেলা ছিল,এবারও তেমন কিছু হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারছেন না।