এক নদীগ্রামের গল্প ‘শোনাচ্ছেন’ শোভন চক্রবর্তী

গেটের সামনে গাড়িটা যখন দাঁড়াল,বিকেল তখন সন্ধে ছুঁইছুঁই, কলকাতা থেকে প্রায় অর্ধেক দিনের টানা যাত্রার ধকল সওয়ারিদের শরীরেও, বৃষ্টি থেমেছে খানিক আগেই,গাছের পাতায় তখনও জলফোঁটা ছড়িয়ে,আর ঝাড়খণ্ডের এই প্রান্তগ্রাম কেচকির হাওয়ায় জড়িয়ে বুনো সারল্যের নিজস্ব গন্ধ,থাকার জায়গা বলতে 2 ঘরের বনবাংলো,কেয়ারটেকার রবি একইসঙ্গে চোস্ত রাধুনিও, তবে রান্নার যাবতীয় সরঞ্জাম কিন্তু বাইরে থেকে নিয়ে ঢুকতে হবে কেচকিতে,কারণ এখানে কিচ্ছু মিলবে না, এখানে বনবাংলোর গা ঘেষে কোয়েল আর আওরঙ্গা নদী, দিনদুয়েক এখানে থেকে বেরিয়ে পড়া যেতে পারে মারুমারের উদ্দেশে,সেখানে আরেক বনবাংলো,দিব্যি জায়গা,সবুজে সবুজে,যত আদিম মহাদ্রুমের মধ্যখানে দিনদুয়েকের ঠাঁইঠিকানা,এখান থেকে ফের সটান পাড়ি দেওয়া যেতে পারে নেতারহাট, গোটা সফরসরণিতে ছড়িয়েছিটিয়ে আছে অনেক দর্শনীয় জায়গায়, লোধা ফলস, মণ্ডল বাঁধ,মিরচিয়া ফলস, কত কী কত কিছু, কোথাও আবার আছে উষ্ণ জলের সোঁতা, এসব মিলিয়ে দিন 5-7 ঘুরে আসার জন্য বেশ লোভনীয়  প্রতিবেশী রাজ্যের এই কমচেনা ভ্রমণবিন্দুগুলি, রেলপথে কেচকি যেতে গেলে নামতে হবে ডালটনগঞ্জে,নেতারহাটের জন্য রাঁচিতে, শীতমাসে যাবেন নাকি ছোটো ছুটিতে?