যশবন্তকো গুসসা কিঁউ আতা হ্যায়?

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকায় এক নিবন্ধে দেশের বেহাল আর্থিক অবস্থার জন্য অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলিককেই দায়ী করেছেন বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা। এর পর থেকেই শুরু হয়ে গেছে পক্ষে বিপক্ষের বিবৃতি। কংগ্রেস সুযোগের সদ্বব্যবহার করতে যেমন ছাড়েনি তেমনই এই সুযোগে ফের দলকে অস্বস্তিতে ফেলতে যশবন্তের পাশে দাঁড়িয়েছেন আরেক বিক্ষুব্ধ সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহাও। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে হঠাত্ করে দেশের অর্থনীতির বেহালদশা নিয়ে মুখ খুললেন কেন যশবন্ত? কেনই বা নীতিন গডকড়ির মত দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন যশবন্ত সিনহা। মন্ত্রী বা দলে গুরুত্ব না পাওয়ার হতাশা  কি গ্রাস করেছে প্রাক্তন এই আমলাকে। নাকি এর পিছনে রয়েছে দেশের করপোরেট দুনিয়ার রেষারেষির গল্প?  কংগ্রেসের জমানায় আর্থিক বিকাশের হার যখন ৭ এর আশেপাশে ঘোরাফেরা করতো তখন দেশের আমআদমীর জীবন নাজেহাল ছিল এখনও রয়েছে।সরকারি কোম্পানিগুলি বেসরকারিকরণ থেকে শুরু করে যৌথ উদ্যোগের নামে বেসরকারিকরণ, টেলিকম সহ একাধিক একচেটিয়া  সরকারি ক্ষেত্রকে বেসরকারি সংস্থার হাত তুলে দেওয়া চলছিল, চলছে ,চলবেও। যশবন্তের মতে অর্থনীতি নাকি নীতির অসড়তায় ভুগছে। তাহলে কি খনি, থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ লুটের গতিকে আরো তরান্বিত করলেই  দেশের আর্থিক হাল ফিরবে। বিজেপি -আরএসএসের মধ্যে কোন্দলের কারণেও মুখ খুলতে পারেন যশবন্ত সিনহা। কারণ প্রাক্তন আমলা যশবন্ত সিনহা জনতাদল থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। ফলে তাকে কেউ ব্যবহারও করতেও পারে। মনে রাখতে হবে আরএসএসের শ্রমিক সংগঠন বিএমএস ও একই সময় দেশের আর্থিক অবস্থার সমালোচনা করেছে। দেশের বেহাল আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে যশবন্তের লেখার উদ্দেশ্য আর যাই হোক দেশের আর্থিক অবস্থার সুরাহা যে নয় তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। কারণ নীতির প্রশ্নে অরুণ জেটলি বা যশবন্তের মধ্যে কোন মতপার্থক্য নেই।