প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি থাকছেন অধীরই, জানাল কংগ্রেস হাইকম্যান্ড

0
13

আর কিছুদিনের মধ্যেই রাজ্যে রাজ্যে কংগ্রেসের সাংগঠনিক দিকটিকে নতুন করে সাজিেয়ে তোলার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে কংগ্রেসের শীর্ষ মহল সূত্রে বার্তা দেওয়া হয়েছে।আর এই সূত্রেই এ রাজ্যে কংগ্রেসের অন্দরমহলে শুরু হয়ে গেছে নতুন কলহ। এমনিতেই এ রাজ্যে কংগ্রসের অবস্থা একেবারে কাহিল,যতোদিন যাচ্ছে রাজ্যে তাদের অবস্থা আর করুন হয়ে উঠছে,এরই মধ্যে অধীর চৌধুরীকে প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জল্পনা ছড়াতেই,অধীর সমর্থকরা বিদ্রোহের হুঙ্কার দিতে শুরু করেছেন।গোটা রাজ্য জুড়েই অধীরপন্থীরা সোশ্যাল মিডিয়া ও স্থানীয় এলাকায় প্রকাশ্যে বলতে শুরু করেছেন অধীর চৌধুরী ছাড়া কারোর কথা শুনবো না,কাউকে মানবো না।সূত্রের খবর কেন্দ্রীয় স্তরে অধীরের বদলে আব্দুল মান্নানকে সভাপতি করার কথা ভাবা হচ্ছে,এটা আঁচ করেই প্রতিবাদে নেমে পড়তে চাইছেন অধীর সমর্থকরা।তারা বলতে শুরু করেছেন অধীর চৌধুরীকে প্রদেশ কংগ্রেসের পদ থেকে সরাতে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে,এই ষড়যন্ত্রের মোকাবিলায় দরকার হলে পথে নেমে প্রতিবাদ করা হবে বলেও হুশিয়ারি দেওয়া শুরু হয়েছে।অধীর চৌধুরী নিজে অবশ্য এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হন নি,তাঁকে সরানোর চক্রান্তের প্রতিবাদে তাঁর সমর্থকেরা কোন আন্দোলোন করছে বলেও তিনি জানেন না বলে প্রতিক্রিয়া দেন।তবে গোটা ঘটনায় একটা বিষয় পরিষ্কার যে, রাজ্যে ক্ষমতার নিরিখে কংগ্রেস যতোই দূর্বল হয়ে পড়ুক না কেন,দলের ভেতরে নিরন্তর কলহের ধারাটি রাজ্য কংগ্রেস এখনও বহন করে চলেছে।রাজ্য কংগ্রেসের অন্দরমহলে এই কলহের আঁচ পেয়েই আপাতাত প্রদেশ কংগ্রেসের শীর্ষে অধীরকেই রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হল বলে সূত্রের খবর। গত শুক্রবারই দিল্লিতে অধীরকে ডেকে তাঁকে রাজ্যে সংগঠন মজবুত করতে নির্দেশ দিয়েছেন রাহুল গান্ধি।অধীর সমর্থকদের নাছোর মনোভাবের জন্যই এ রাজ্যে বড় কোন সাংগঠনিক পরিবর্তন হল না বলে ওয়াকিবহাল মহলের মত।তবে এই সিদ্ধান্ত রাজ্য সংগ্রেসের অন্দরমহলের কলহকে কতদিন চাপা রাখতে পারে সেটাই এখন দেখার বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মত।