ছাত্রীর গণধর্ষণকে ‘স্বইচ্ছেতে’ যৌন মিলল বলে চালানোর অভিযোগ! মধ্যপ্রদেশে ঘন্টায় ধর্ষিতা ১১

ভোপালের ছাত্রীর গণধর্ষণের ঘটনাকে চাপা দিতে চাইছে রাজ্য সরকার। এমনটাই অভিযোগ কংগ্রেসের। কারণ ছাত্রীটির মেডিক্যাল পরীক্ষায় চিকিত্সকরা নাকি প্রাথমিকভাবে রিপোর্ট দিয়েছেন ওই ছাত্রীর ইচ্ছেতেই যৌন মিলন হয়েছিল। তবে হইচই শুরু হওয়াতে চাপে পড়ে রিপোর্ট বাতিল করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে ওই রিপোর্ট ভুল ছিল, তা বাতিল করা হয়েছে।

৩১ অক্টোবর ভোপালের হাবিবগঞ্জ রেলস্টেশনের কাছে রেললাইন থেকে টেনে নিয়ে গিয়ে  এক কলেজ ছাত্রীকে বেঁধে রেখে  পালা করে ধর্ষণ করল বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী। নির্যাতিতার মা CID তে কর্মরত হওয়া সত্ত্বেও প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে পুলিস। বুধবার দিনের বেলায় কয়েকজন দুষ্কৃতীকে ধরে ফেলে মেয়েটি। তার পর অভিযোগ নিতে বাধ্য হয় পুলিস। UPSC এর জন্য কোচিং শেষ করে সন্ধের সময় রেল ট্রাক ধরে স্টেশনে আসছিলেন ওই ছাত্রী। সেই সময় এক দুষ্কৃতী তার হাত ধরে টানাটানি করে। তাকে পাল্টা মার দেয় ওই ছাত্রী। এর পর আরো ৩জন দুষ্কৃতীকে জড়ো করে ওই  ছাত্রীকে টেনে নিয়ে যায় একটি নালার পাশে। সেখানেই পালা করে তাঁকে ধর্ষণ করে ৪ দুষ্কৃতী।

মহিলাদের উপর যৌন হিংসার ক্ষেত্রে মধ্যপ্রদেশে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি  হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে বিধানসভায় পেশ করা এক তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে  প্রতি ঘন্টায় ১১জন মহিলা ধর্ষিতা হন রাজ্যে। প্রতি সপ্তাহে ৬টি গণধর্ষণের ঘটনা হয় রাজ্যে। ২০১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারির এই হিসাবে শিড়দাড়ায় ঠান্ডা স্রোত বইয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট।