রসগোল্লার ভিড়ে চাপা পড়ে গেল এই বড় খবরটা!

সারাদিন ধরে বাংলা নিউজ চ্যানেলে রসগোল্লার জিআই পাওয়ার আনন্দের খবরের তলায় চাপা পড়ে গেল একটা অত্যন্ত বড় খবর। মেডিকেল কলেজ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের ঘুষ দিয়ে রায় বদলে দেওয়া যায় এমনই অভিযোগ উঠেছিল। সর্বোচ্চ আদালত অবশ্য এই নিয়ে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের আইনজীবী কামিনী জয়সোয়ালের করা আবেদন নাকচ করে দিয়েছে। এখানেই শেষ নয়, সর্বোচ্চ আদালতের মর্যাদাকে খুন্ন করার চেষ্টা করায় কামিনী ও তাঁর আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণকে তিরস্কারও করেছে সুপ্রিম কোর্ট। মেডিকেল কলেজের লাইসেন্স বাতিলের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে প্রভাবিত করার জন্য বিচারপতিদের ঘুষ দেওয়ার বিষয় তদন্ত করছে cbi। সেই তদন্তের জেরে এই বছর  সেপ্টেম্বর মাসে উড়িশা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি আই এম কুদ্দুসি সহ কয়েকজনকে ২ কোটি টাকা সমেত গ্রেফতারও করে সিবিআই। এর পরই কামিনীর  আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ অভিযোগ করেন যেহেতু ঘুষ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের নাম উঠছে  ও সিবিআই  খাঁচায় বন্দি তোতায় পরিণত হওয়ায় তাই এই মামলার তদন্তে SIT গঠন করা হোক। এই নিয়ে১০ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টে মামলা শুনানির সময় প্রশান্ত ভূষণের সঙ্গে বিচারপতিদের তর্কাতর্কিও হয়। ভূষণের অভিযোগ তার কথা শুনতে রাজি ছিলেন না বিচারপতিরা। এদেশে বিচার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে গেলেই বিপদ। কিন্তু কী করে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া সাহারার সুব্রত রায়ের ৪ সপ্তাহের প্যারোল বছরের পর বছর ধরে চলে তা বুঝতে রকেট সায়েন্সের প্রয়োজন হয় কি?