গুজরাট ও হিমাচলে সত্যি কি গণতন্ত্রের জয় হল?

সংসদীয় রাজনীতিতে ভোটে জেতাই শেষ কথা। ঠিক তাও নয়। যেন তেন প্রকারেন সরকার গড়াই সব রাজনৈতিকদলরে লক্ষ্য। কীভাবে একক সংখ্যা গরিষ্ঠ দল না হয়েও সরকার গঠন করা যায় তা বিজেপি গোয়া ও মণিপুরে দেখিয়ে দিয়েছে কিছুদিন আগে। সেই দিক থেকে গুজরাট ও হিমাচলে বিজেপি সরকার গড়বে। যদিও হিমাচলে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীপদ প্রার্থী প্রেমকুমার ধুমল হেরে গেছেন। ফলে ‘প্রজা’ শাসনের অধিকার তাদের উপরই থাকছে আগামী ৫ বছর। কেন গুজরাট সহ সারা দেশে দলিতদের উপর অত্যাচার বেড়ে গেছে? কেন আজও অনেক জায়গায় কুয়ো থেকে তারা জল তুলতে পারেন না দলিতরা?, কেন গোরক্ষার নামে মুসলীমদের হত্যা হয়ে চলেছে সারা দেশে? কেন কৃষকদের মৃত্যু মিছিল অব্যাহত? কেন দেশে সেরকমভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে না? কেন গোরক্ষপুরের মত দেশের বিভিন্ন  সরকারি হাসপাতালে কয়েক ঘন্টায় বেশ কিছু শিশুর মৃত্যু হলেও সরকারের কোন হেলদোল নেই? এ সব প্রশ্নের উত্তর কোন নির্বাচনেই মেলে না এবারও মেলেনি। দেশে  ভোট মানে ঠিক কতটা গণতন্ত্রের জয় আর কতটা অর্থের তা নিয়ে তর্ক আগেও ছিল এখনও চলছে। তবে এবারের ভোটে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, নির্বাচন কমিশনের, নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। প্রশ্ন উঠছে evm এ কারচুপি নিয়েও। হার্দিক প্যাটেল তো গুজরাটে বিজেপির জয়কে evm এ কারচুপির ফল বলেছেন। সেসব থাক, বিশ্বের সব থেকে বড় গণতন্ত্রে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আরো বাড়িয়ে নিল একটি দক্ষিণপন্থী দল। সেটাই আপাতত সত্যি।