উপরাষ্ট্রপতি বিজ্ঞাপনের মোহে ঠকেছেন তাই প্রচার,কিন্তু প্রতিদিন যে সব বিজ্ঞাপন কোটি কোটি মানুষকে ঠকাচ্ছে,তার বেলা!

বিজ্ঞাপনের মোহে ঠকেছেন উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু,শুক্রবার রাজ্যসভায় বিভ্রান্তিমূলক বিজ্ঞাপন বিষায়ক এক আলোচনা চলার সময় বেভ্কাইয়া নাইড়ু জানান তিনি একটি কম্পানির মেদ কমানোর অষুধ খেয়েছিলেন,বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছিন ঐ অষুধ ব্যবহারে দিন কুড়ির মধ্য মেদ কমে যাবে কিন্তু তা হয় নি।উপরাষ্ট্রপতিকে আশ্বস্ত করে উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ান জানান বিষয়টি তারা নজরে রেখেছেন উপযুক্ত তথ্য যোগাড় করে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।বলাই বাহুল্য দেশের উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে এরকম প্রতারণার ঘটনার জন্যই বিষয়টা এ ভাবে প্রচারে এসেছে,তা না হলে এ দেশের কোটি কোটি মানুষকে বিজ্ঞাপন দিয়ে ঠকানোর ঘটনা ঘটেই চলেছে।চ্যানেলে চ্যানেলে যে ব্যথার অষুধ বা ভাগ্য ফেরানোর বিজ্ঞাপন তার সবটাই যে ভুঁযো তা যে কেউই সাধারণ বুদ্ধিতেই ধরতে পারবেন,তবু কেন কী ভাবে দিনের পর দিন এসব বিজ্ঞাপন চলতে থাকে,কেন কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় না?উত্তরটা সকলেই জানেন সাধারণ মানুষের স্বার্থ নিয়ে এ দেশের নেতা সরকারী কর্মীদের কোন দায়বদ্ধতা নেই,তাই গজিয়ে ওঠে করমারি বাবাদের ভেলকিবাজি,চলতে থাকে ভাগ্য ফেরানোর প্রচার,নানা কঠিন রোগের অযৌক্তিক নিরাময়ের বিজ্ঞাপনি কৌশল।রাজ্য সভায় যতোই আলোচনা হোক,মন্ত্রী যতোই ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিন না কেন এসব চলতেই থাকবে,কারণ ব্যবস্থাপনার কর্তা ব্যক্তিরাই এতে মদত জোগান,সর্ষের মধ্যেই ভূত থাকলে সেই সর্ষে দিয়ে ভূত তাডা়নো যায় না।তাই সব একই ভাবে চলবে শুধু কয়েকদিন একটু আলোচনা ব্যস তারপর সব আবার আগের মতোই যেমন ছিল তেমনই চলবে।যেমন চিটফান্ড একজায়গায় বন্ধ হয়ে আরএক জায়গায় গজিয়ে ওঠে এটাও তেমনি হবে।