ভাঙড়ের আন্দোলনকারীদের মাথা গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি রেজ্জাক মোল্লার!

তিনি ভাঙড়ের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি,তিনি রাজ্যের প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী,রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পক্ষে মন্ত্রগুপ্তির শপথ বাক্য পাঠ করে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তিনি।সেই তিনি প্রকাশ্য জনসভায় দাড়িয়ে বলছেন ভাঙড়ে পঞ্চায়েত ভোটের আগেই পাওয়ার গ্রিড বসে যাবে,যারা বাধাঁ দেবেন তাদের মাথা গুড়িয়ে দেওয়া হবে।তাঁর মতে প্রতিবাদীদের মাথা আগেই গুড়িয়ে দেওয়া উচিত ছিল,তাহলে আর মাথা তুলতে পারতো না,তারা একটু দেরি করে ফেলেছে,তাই নাকি প্রতিবাদের নাটক এতটা জমে উঠেছে।এবার তাঁরা কোন কথা শুনবেন না,বোঝানোর চেষ্টা হবে,ক্ষতিপুরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রাখা হবে না শুনলে বাঁশ দিয়েই নাকি সব ঠান্ডা করে দেওয়া হবে,বাঁশ যখন ঢুঁকবে তথন নাকি প্রতিবাদীরা বুঝবেন প্রতিবাদের ঠেলা কাকে বলে!হাঁ এই হল রাজ্যের মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লার মুখের ভাষা,এলাকার লুম্পেন মস্তান গুন্ডা ইতররা ষে ভাষায় কথা বলে,মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লাও সেই ভাষাতেই হুমকি দিলেন।হারিয়ে গেল মন্ত্রগুপ্তির শপথ,আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি,যে কোন বিরোধী গণতান্ত্রীক আন্দোলন সম্পর্কে সম্মান প্রদর্শনের রীতি।মন্ত্রীর এই হুমকিতে ভাঙড়ের প্রতিবাদীরা ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন,তারা বলছেন বাম ফ্রন্টের মন্ত্রী থাকাকানীন এই লোকটাই নন্দীগ্রামে গণহত্যার অংশিদার ছিলেন,এখন লাল জামা ছেড়ে সবুজ জামা গায়ে চড়িয়ে আবার ভাঙড়েও গণহত্যার হুমকি দিতে শুরু করেছেন।ভাঙড়ের মানুষ চাইছেন তাদের প্রতিবাদের পক্ষে রাজ্যের সমস্ত নাগরিক সমাজ এগিয়ে আসুক।রাষ্ট্রীয় আক্রমনের মুখে যে তাঁরা পড়তে চলেছেন তা অনুমান করে প্রতিবাদের ঝাঁঝ বাড়াতে ভাঙড়ের আন্দোলনকারীরা আগামী ৪ জানুয়ারি ভাঙড়েই প্রতিবাদী সভার আয়োজন করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন।পাওয়ার গ্রিড বিরোধী আন্দোলন কারীদের ঘোষণা তারা রক্তের বিনিময়ে হলেও পাওয়ার গ্রিড আটকাবেন।মানবাধিকার আন্দোলনের কর্মীরাও মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন।