জলাজমি ভরাটের মামলা কলকাতার মেয়রের বিরুদ্ধে

জলাভূমি ভরাটের বিরুদ্ধে আইন তৈরি করেছে য়ে পুরসভা,সেই কলকাতা পুরসভার মেয়রের বিরুদ্ধেই খোদ কলকাতা এলাকার মধ্যে জলাজমি ভরাটের অভিযোগ উঠল।এই অভিযোগে মেয়রের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে,মামলায় জড়ান হয়েছে মেয়রের পরিবারের লোকজনদেরও।ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাস লাগোয়া উকিলের ভেড়ি বুজিয়ে জমি বিক্রিতে মদত দিয়েছেন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় এই অভিযোগ করে হাইকোর্টে বলা হয়েছে,কলকাতা পরসভার ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাভুক্ত প্রায় ৬০ বিঘা এলাকা জুড়ে থাকা এই ভেড়ির বড় অংশ বুজিয়ে একটি প্রমোটিং সংস্থা সেখানে আবাসনের জন্য প্লট আকারে জমি বিক্রি করা সুরু করে দিয়েছে।শোভন ও তাঁর পরিবারের লোকেরা সেখানে প্লট কিনেছেন বলে খবর।ঘটনাচক্রে এই জলাভূমি ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটির অধীন,যার চেয়ারম্যান পদাধিকার বলে শোভন টট্টোপাদ্যায়।মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে,ক্ষমতার অপব্যবহার করে শোভন ও তাঁর স্ত্রী রত্না,ও শ্যালক দেবাশিষ ও পুত্র সপ্তর্ষি সহ পরিবারের একাধিক ব্যক্তির নামে ইতিমধ্যেই প্রায় সাড়ে ছয় কাঠা জমি হস্তান্তর হয়ে গেছে।বাজার মূল্য যেখানে ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা সেখানে মাত্র ১৫ নক্ষ ৬৬ হাজার টাকায় মেয়রের পরিবারের লোকজনদের জমি দিযেছে প্রমোটিং সংস্থা।অভিযোগ গ্রহণ করে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য ও অরিজিত ব্যানার্জির ডিভিশন বে়ঞ্চ এই মামলায় মেয়রের স্ত্রী শ্যালক ও ছেলেকেও যুক্ত করার নির্দেশ জারি করেছে বলে খবর।বর্তমানে ঐ ভেড়ির মালিকানা রয়েছে সুনীত মল্লিক চৌধুরীর নামে,তাঁর অভিযোগ বছর তিনেক আগে থেকেই জমি ভারাটের কাজ শুরু হয়েছিল,থানায় অভিযোগ জানিয়ে কোন ফল হয় নি,তিনি বিষয়টা জাতীয় পরিবেশ আদালতের পূর্বাঞ্চলীয় শাখাতেও জানিয়েছেন বলে জানান।তবে মেয়রের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামালা করেছেন সুব্রত চট্টরাজ বলে এক ব্যক্তি,তাঁর আইনজীবী উদয়শঙ্কর চট্টোপাধ্যায় জানান শোভন রত্না দেবাশিস ও সপ্ত৪ষি যে ঐ এলাকায় জমি কিনেছেন তার প্রমাণ আদালতে দেওয়া হয়েছে।অন্য দিকে মেয়রের আইনজীবী জানিযেছেন,মামলার নোটিশ  পাওয়া গেলে আইনি পদক্ষেপ করা হবে।তবে জলাভূমি যে ভরাট হয়েছে তা এলাকায় গেলেই দেখা যায়।এমনকি মেয়রের প্লট বলে যে জায়গাটা বলা হয় সেখানে বিদ্যুত সংযোগও এসে গেছে,প্রশ্ন উঠছে বিদ্যুত বন্টন সংস্থার ভূমিকা নিয়েও। (সূত্র—-এবেলা)