সংবাদ মাধ্যম আক্রান্ত,গ্রেপ্তার আন্দোলনকারী,রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মুখে ভাঙরের জমি রক্ষার লড়াই

পাওয়ার গ্রিড হবেই সরকারের পক্ষ থেকে এই ঘোষণার পাল্টা হিসেবে পাওয়ার গ্রিড বিরোধী আন্দোলনকারীরাও জানিয়ে দিয়েছেন ষে প্রয়োজনে রক্ত দিয়েও তাঁরা পাওয়ার গ্রিড আটকাবেন।আর এই দাবি ও পান্টা দাবিতে ভাঙড়ে ক্রমশই চড়ছে উত্তেজনার পারদ।বৃহস্পতিবার জমি রক্ষা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত করারা কথা ছিল ভাঙড়ে,কিন্তু অভিযোগ তার একদিন আগে থেকেই এলাকায় ব্যপক সন্ত্রাস তৈরি করেছে শাসক দলের দুষ্কৃতীরা।আক্রান্ত হয়েছেন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা।ক্যামেরা ভাঙচুড় করার অভিযোগও উঠতে শুরু করেছে।এলাকা জুড়ে একদল সশস্ত্র দুষ্কৃতী দলকে মুখ ঢেকে ঘোরাঘোরি করতে দেখা যাচ্ছে।তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষকে শাসাচ্ছে বলে অভযোগ।গোটা ভাঙড় এখন কার্যত অগ্নিগর্ভ হয়ে রয়েছে।জমি আল্দোলনকারীদের দাবি শাসক তৃণমূলের গুন্ডারা এলাকা জুড়ে সন্ত্রাস তৈরি করতে চাইছে।উল্টো দিকে শাসক দলের দাবি এলাকার মানুষ ক্রমে আন্দোলন থেকে সরে যাচ্ছে দেখে কিছু বহিরাগত এলাকায় অশান্তি ধরে রাখতে সন্ত্রাস চালাচ্ছে বলে দাবি তোলা হয়েছে।সরকার ক্ষতিপুরণ দেওয়ার কথা বললেও কেন জমি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকার এখমও আলোচনায় বসছে না সে দাবি তুলে আন্দোলনকারীরা বহস্পতিবার আবার সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে।গোটা এলাকায় প্রশাসনের কোন ভূমিকা নেই কেন তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।মুখ্যমন্ত্রী প্রথমে মানুষ না চাইলে পাওয়ার গ্রিড ওখানে হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিলেও কেন এখন উল্টো কথা বলছেন তার ব্যাখ্যা চাইছে ভাঙড়বাসী।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন পঞ্চায়েত ভোটের আগে এলাকা দখল করতে মরিয়া শাসক দল,সেই জন্যই মমতা দলের ভেতরকার বিবাদ ভুলে ভাঙড়ে একত্রিত হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ জারি করেছেন।শাসক দলের সব গোষ্ঠী এক হয়ে ভাঙড়ে আক্রমন নামানোর ফলে আন্দোলনকারীদের উপর চাপ বাড়ছে,বাড়ছে উত্তেজনাও।এদিকে বৃহস্পতিবার ভাঙড়ের জমি আন্দেলন কারার অপরাধে স্থানীয় এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ,অন্যদিকে এই আন্দেলনকে সমর্থন জানাতে আসা অন্য রাজ্যের গণতান্ত্রীক আল্দোলনের একাধিক কর্মীকে পুলিশ এদিন গ্রেপ্তার করে ভাঙড় আন্দোলনে বহিরাগতদের উপস্থিতির প্রমাণ দিতে চেষ্টা করেছে।তবে মানবাধিকার আন্দোলনের কর্মীরা ও সমাজআন্দোলনের কর্মীরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন দেশের যে কোন প্রান্তে যে কোন গণতান্ত্রীক আন্দোলনকে সমর্থন জানানের অধিকার স্বাধীন নাগরিকের থাকে,তাকে কোনভাবেই বহিরাগত বলে অভিহিত করা উচিত নয়।সকলের গ্রেপ্তারের নিন্দা করে এপিড়্আর সহ বিভিন্ন সংগঠন এর বিরুদ্ধে আন্জোলন গড়ে তোলার ডাক দিযেছে{ভঙড়কে শাসক দলের রক্ত চক্রু থেকে বাঁচাতে আরাবুল ও কাইজারদের মতো গুন্ডা বদমাযেসদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছেন এ রাজ্যের মানবাধিকার আন্দোলনের কর্মীরা

,