পুত্র হারানোর হাহাকারের মধ্যেও প্রতিবাদী সঞ্জয় বিশ্বজিতের বাবা মা

শনিবারের পর কেটে গেছে দু-দুটো দিন,এখনও সদ্য সন্তান হারানোর হাহাকার ওদের বুকে পাথর হয়ে জমে আছে,পরিজন আর প্রতিবেশিরা পাশে এসে সান্ত্বনা দিচ্ছেন,কিন্তু এত শোক হাহাকারের মধ্যেও চিংড়িঘাটার শান্তিনগর এলাকায় গত শনিবারের দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো কলেজ পড়ুয়া বিশ্বজিত ভুঁইয়া ও সঞ্জয় বনুর বাবা মা এলাকা জুড়ে পুলিশি তান্ডবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মুখর হতে ছাড়ছেন না।বিশ্বজিতের বাবা সুশীল ভুঁইয়াকেও পুলিশ লাঠি পেটা করতে ছা়ড়েনি,এই নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।এর পর এলাকায় ঢুকে রাতে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তার করছে।এলাকার মানুষের অভিযোগ রাজনৈতিক মদতে পুলিশ এ রকম অমানবিক আচরণ করতে শুরু করেছে।এলাকার মানুষজনদের পাল্টা চ্যালেঞ্জ যদি এরকম চলতে থাকে প্রতিবাদ মিছিল করবে তারা,তাতে সায় দিয়ে মৃত সঞ্জয় ও বিশ্বজিতের বাবা মা জানিয়েছেন সে ক্ষেত্রে তাঁরাই থাকবেন সেই মিছিলের পুরভাগে,বিস্বজিতের বাবা সুশীলবাবু জানান,যেভাবে পুলিশ সে দিন তাঁর উপর চড়াও হয়েছিল তাতে তাদের মানুষ বলে মনে হয় না,ওরা যেভাবে তান্ডব করছে তাতে প্রতিবাদ না করলে চলে না।সুকান্তনগর শান্তিনগর এলাকাজুড়ে মানুষ প্রতিবাদে ফুঁসে উঠতে পারে বুঝে শাসক তৃণমূলের নেতারাও অবস্থা সামাল দিতে নেমে পড়েছে,সোমবার বিধায়ক সুজিত বসু এলাকায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানা গেছে,তিনি দুর্ঘটনা এড়াতে কিছু প্রতিশ্রুতিও দেবেন বলে খবর।তবে এলাকার মানুষ পুলিশি তান্ডব না থামলে কোন আলোচনায় রাজি নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে,এক্ষেত্রে তাদের প্রতিবাদের প্রধান মুখ মৃত দুই তরুণের বাবা মাই,নিজেরা যন্ত্রণা নিয়েও অন্য কোন পরিবারে যেন এমন বিপর্যয় না আসে তা নিশ্চত করতে এঁরা প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের বার্তাই দিতে চাইছেন।

,