ব্যাঙ্কের নথিতে গড়মিল করেই ব্যাঙ্ক প্রতারণা করতো হর্ষদ মেহেতা!২৫ বছর পরও সেই ধারা অব্যাহত! কেন?

এদেশে একটা করে কেলেঙ্কারি সামনে আসে তা নিয়ে হৈচৈ হয়, তার পর সব ধামাচাপা পড়ে যায়। PNB সাড়ে ১১ হাজার কোটির আর্থিক প্রতারণা সামনে আসতেই দেশজুড়ে তোলপাড়। অথচ আমরা ভুলেই গেছি হর্ষদ মেহেতার ৫০০ কোটির sbi কেলেঙ্কারির কথা। ১৯৯২  সালের এপ্রিল মাসে সামনে আসে আর্থিক প্রতারণার জেরে শেয়ার দালাল হর্ষদের কাছে sbi এর পাওনা ৫০০ কোটি টাকা। sbi এর হয়ে সিকিউরিটি কেনা বেচাকরত হর্যদ মেহেতা। অথচ ১৯৯২ সালের গোড়ার দিকে ধরা পড়ল যে সরকারি সিকিউরিটি sbi এর হয়ে হর্ষদ কিনেছে বলে দাবি করে sbi এর থেকে টাকা নিয়েছে তা আদৌও কেনেই সে। নানা ভুয়ো লেনদেন করে হর্যদকে নাকি আড়াল করেছিল sbi এর কয়েকজন কর্মী। সব থেকে মজার কথা হল sbi এর ৫০০ কোটি টাকা হর্যদ নাকি মিটিয়েছিল RBI এর অধীনস্ত ন্যাশনল হাউশিং ব্যাঙ্ক (NHB) এর থেকে ঋণ নিয়ে। বুঝুন ঠ্যালা । এক প্রতারককে উদ্ধার করতে এগিয়ে এসেছিল খোদ RBI এর একটি ব্যাঙ্ক। পরে অবশ্য NHB এর চেয়ারম্যানের হঠাত্ মৃত্যু হয়। মৃত্যু ঘিরেও রয়েছে রহস্য।  হর্যদকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। শুধু SBI নয় একাধিক প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার হওয়া শেয়ার বাজারের সেই সময়ের সব থেকে চর্চিত নাম হর্যদের মৃত্যু হয় ২০০১ সালে। জেল  হেফাজতেই। শুধু SBI নয় একাধিক ব্যাঙ্ককেই প্রতারণা করে সেই টাকা রিলায়েন্স সহ একাধিক কোম্পানির শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে  বাড়ানোর জন্য টাকা ঢেলেছিল হর্যদ। CBIকে দেওয়া তদন্তের জন্য। মাঝপথে CBI তত্কালীন ডিরেক্টর অবসর নেন( চাপে)। JPC গঠিত হয়।কিন্তু তাতে মাথাদের কিছু হয়েছিল বলে মনে হয় না। হর্ষদ অভিযোগ করেছিলেন তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিমা রাওকে ১ কোটি টাকা ঘুষ দিয়েছিল সে। এই ধরনের অভিযোগ কোনক্ষেত্রেই প্রমাণিত হয় না। এক্ষেত্রেও হয়নি। তবে হর্ষদের ব্যাঙ্ক কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত ছিল ৫ হাজার কোটি টাকার শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারি। বর্তমানে শেয়ার বাজারের তেজি সেই রকমই কোন ইঙ্গিত নয় তো?

ঋণ স্বীকার THE SCAM – Debashis BASU, Sucheta Dalal

, ,