হাইকোর্টে কাজ বন্ধ দিশাহারা সাধারণ মানুষ!

0
15

প্রায় এক মাস হাইকোর্টে কোন কাজ হচ্ছেনা।আইনজীবী সংগঠনের একাংশ বিচারক বাড়ানো ও সুপ্রিমকোর্টে রাজ্যের প্রতিনিধিত্বকারী নিয়োগের  দাবিতে ষে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে তাতেই কার্ষত এক মাস ধরে হাইকোর্ট বন্ধ হয়ে পড়ে আছে।বিচারের প্রত্যাশায় যারা কোর্টে য়ান তারা চূড়ান্ত ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন,প্রতিদিন হয়রানিন শিকার হচ্ছেন তাঁরা।আইনজীবী সংগঠনের একাংশ যাঁরা কর্ম বিরতির ডাক দিয়েছেন তাঁদের দাবি হাইকোর্টের বিচারক দরকার ৭২জন,রয়েছেন মাত্র ৩২জন,ফলে মামলার পাহাড় জমে যাচ্ছে,বার বার দাবি করেও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কোন সুরাহা মেলে নি।বছরের পর বছর মামলা চলতেই থাকে,বিচারকের অভাবে কোন মামলার নিষ্পত্তি হয় না,মানুষ হয়রান হচ্ছে,তাদের আর্থিক ক্ষতি বাড়তেই থাকছে,কিন্তু বিচার ব্যবস্থার এই দীর্ঘ সূত্রিতা নিয়ে কোন হেনদোল নেই কেন্দ্রীয় সরকারের,রাজ্য সরকারও কোন দাবি এ বিষয় করছে না কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে।সাধারণ মানুষের বিচার পাওয়ার বিষয়ে কোন সরকারেরই কোন মাথা ব্যথা নেই।এদিকে এ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল নিয়ন্ত্রিত আইনজীবী সংগঠন কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার পক্ষে,তবে সাধারণ মানুষ যাতে বিচার পায় তার জন্য বেশী সংখ্যক বিচারক বাড়ানোর দাবিতে তারা আন্দোলনকারী আইনজীবী সংগঠনগুলির পাশে দাঁড়াতে রাজি নয়।অন্যদিকে কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়া আইনজীবীদের সংগঠনগুলির দাবি সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই তাঁরা আন্দোলনের পথে গেছেন,তাঁরা মনে করেন হাইকোর্টে বিচারক না বাড়ালে বিচার ব্যবস্থা এ রাজ্যে ভেঙে পড়বে,স্থায়ী প্রধান বিচারপতি কেন হাইকোর্টে দেওয়া হচ্ছে না সে দাবিও তুলেছেন আন্দোলনকারী আইনজীবীরা।কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন বিচারকের অভাব মেটানো এখনই সম্ভব নয়,সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বক্তব্য আগে কর্মবিরতি তুলে কাজে যোগ দিন আইনজীবীরা তারপর বিষয়টি দেখা হবে।হাইকোর্টের আইনজীবীরা মনে করছেন এর আগেও বার বার বলে কোন সুরাহা না মেলায় তাঁর পথে নেমেছেন এবার মেনে নিলে অবস্থা একই থাকবে।তাই হাইকোর্টের অচলাবস্থা কবে কাটবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চলছেই,এবং চলবেও।সাধারণ মানুষের এই দূর্ভোগের দায় কে নেবে সে প্রশ্নের কোন উত্তর কারোর কাছেই নেই।গণতন্ত্রে সাধারণ মানুষই কেন বার বার এরকম হেনস্থার মুখে পড়বেন,সে প্রশ্ন তুললে রাষ্ট্র কর্তারা দেশদ্রোহীর তকমা লাগিয়ে দেবেন না তারও কোন নিশ্চয়তা নেই।