শর্তসাপেক্ষে স্বেচ্ছামৃত্যুর ‘গুজারিশে’ সায় সুপ্রিম কোর্টের

অবশেষে ‘গুজারিশ’ রাখল সুপ্রিম কোর্ট। সঞ্জয়লীলা বলশলীর গুজারিশ ছবিটার বিষয়বস্তু ছিল স্বেচ্ছামৃত্যুর উপর। সেই ইউথেনসিয়া বা স্বেচ্ছামৃত্যু নিয়ে এবার ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। সুস্থ অবস্থা কোন ব্যক্তি যদি ‘উইল’ করেন যে জীবনের কোন সময় তাঁর শারীরিক অবস্থা এমন পর্যায় পৌঁছল যে তিনি জীবন্মৃত অবস্থা রয়েছেন সেক্ষেত্রে তার স্বেচ্ছামৃত্যু ঘটনা হোক। তবে এক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের ৫ বিচারপতির এক বেঞ্চ কিছু নিয়মও বেঁধে দিয়েছে। ওই ব্যক্তির আর সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা যখন থাকবে না বলে সিদ্ধান্ত জানাবেন চিকিত্সকরা সেই সময় তাঁর  নিকট আত্মীয়রা স্বেচ্ছা মৃত্যুর আবেদন করতে পারবেন বলে জানিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। রোগীর স্বেচ্ছা মৃত্যু চেয়ে তাদের হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে। তার ভিত্তিতে হাইকোর্ট মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত জানাবে। যতদিন স্বেচ্ছামৃত্যু নিয়ে সরকার কোন আইন করছে ততদিন সুপ্রিমকোর্টের এই নির্দেশাবলী প্রযোজ্য থাকবে। তবে কয়েকটি প্রশ্ন উঁকি মারছে মনে। পারিবারিক অশান্তির জেরে এর অপব্যবহার হবে না তো? অঙ্গ কেনাবেচার জন্য দরিদ্র রোগীর পরিবারকে ভুল বোঝানোর একটা চক্র তৈরি হবে না তো?