গলার জোর কমেনি কৌস্তুভের! CBI হেফাজতে মিডিয়ার সামনে তার দাবি, অভিযোগ করলেই তো দোষ প্রমাণ হয় না!

৫১৫ কোটি টাকা ব্যাঙ্ক প্রতারণার জেরে RP গোষ্ঠীর শিবাজি পাঁজা ও কৌস্তুভ রায়কে ফের ৪দিনের হেফাজতে পেল cbi। এর আগে ৩দিনের জন্য CBI হেফাজতে ছিল ওই দুজন। এখনও গলার জোর কমেনি কৌস্তুভ রায়ের। মামলা চলাকালীন cbi হেফাজতে থাকাকালীন কৌস্তুভ মিডিয়ার কাছে দাবি করেন অভিযোগ করলেই তো দোষ প্রমাণিত হয় না। তিনি নির্দোষ  বলে দাবি করেন কৌস্তুভ। এর আগে  ১৪ মার্চ যখন কৌস্তুভকে গ্রেফতার করা হয় তখনও তাঁকে হাসতে দেখা যায়।   বৃহষ্পতিবার কৌস্তুভ ও শিবাজির বিরুদ্ধে FIR দায়ের করেছে ইডিও।  ২ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এর আগে ২০১৫ সালে অন্য আরেকটি সংস্থাকে জাল নথি দিয়ে  ১৮ কোটি টাকা ব্যাঙ্ক প্রতারণারা দায় গ্রেফতার হয়েছিলেন শিবাজি পাঁজা। তবে ৫১৫ কোটি টাকা প্রতারণার খবর আগেই জানতো CBI। ২০১৫ সালেই  ৯টি ব্যাঙ্কের কনসোর্সিয়াম CBI এর কাছে RP INFOSYSTEM( চিরাগ কম্পিউটার) এর বিরুদ্ধে ১৮০ কোটি টাকার ঋণ প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করে।  অথচ সেই সময় CBI বিষয়টি নিয়ে তেমন একটা নড়াচড়া করেনি। কিন্তু কেন? তার কোন স্পষ্ট উত্তর নেই। ম্যানেজ মাস্টার হিসাবে পরিচিত এই দুই ব্যবসায়ী, ঘনিষ্ঠ মহলে বলে থাকেন হা করলেই তারা বুঝতে পারেন কার কত খিদে।   অভিযুক্তদের অন্যতম শিবাজি পাঁজা একসময় কলকাতা টিভির পরিচালনার সঙ্গে  যুক্ত ছিলেন ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। বাংলাদেশে মুখ্যমন্ত্রীর বাণিজ্য প্রতিনিধি হিসাবে সফরসঙ্গীও হয়েছিলেন শিবাজি। সফর থেকে ফিরে ২০১৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি কলকাতা বিমানবন্দর থেকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা তাকে অন্য একটি ১৮ কোটি টাকার প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার করেছিল।  অন্যজন কৌস্তভ রায় এখনও কলকাতা টিভি পরিচালনা( ঘুর পথে নিয়ন্ত্রণ করছেন কলকাতা টিভিকে) করছেন বলে জানা যাচ্ছে। নীরব মোদির কেলেঙ্কারি সামনে আসতেই এবছর ২৬ ফেব্রুয়ারি CBI এর কাছে নতুন করে অভিযোগ দায়ের করে ব্যাঙ্কগুলি। আর তার জেরেই ১৪ মার্চ  কৌস্তুভ- শিবাজিকে গ্রেফতার করে CBI।