কী হল ৫০ হাজার কোটি টাকার pacl এ কেলেঙ্কারির তদন্ত

এদেশে আর্থিক দুর্নীতির বিষয় কি জনমানসে প্রভাব বিস্তার করে? এটি গবেষকদরে অনুসন্ধানের বিষয় হতে পারে। সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার নীরব মোদির খবর  আস্তে আস্তে ধামাচাপা পড়ে যাওয়ার জোগাড়। বিজয় মালিয়া ছাড়া এদেশে যেন ঋণ খেলাপির ঘটনা হয়নি যেন আগে! এর আগে হওয়া একাধিক ব্যাঙ্ক প্রতারণা, বা ঋণ খেলাপির ঘটনা মানুষ ভুলে গেছে। আর তা না হলে, জনসাধরণ যদি সত্যি ক্ষিপ্ত হত  তার বহিঃপ্রকাশ লক্ষ্য করা যেত। তা হয়নি। আর তাই নীরব মোদি নিয়ে যতটা চর্চা হচ্ছে তার ছিঁটেফোঁটাও হয়নি  ৫০ হাজার কোটি টাকার pacl চিটফান্ড বা ৪০ হাজার কোটি টাকার সাহারা কেলেঙ্কারি নিয়ে। ED , CBI ,SEBI সবাই তদন্ত করে। কিন্তু
ঠিক  কত টাকা উদ্ধার হল তা আমরা জানতে পারিন না কখনও।  রাজনৈতিক নেতাদের আশ্রয় ও প্রশ্রয় ছাড়া এত বড় কেলেঙ্কারি এত বছর ধরে চলতে পারে না। ব্যাঙ্ক ঋণ পাওয়ার কথা ছেড়ে দিন, একজন নাগরিককে ব্যাঙ্কে নিজের অ্যাকাউন্ট খুলতে গেলেও পোহাতে হয় না ঝক্কি ঝামেলা অথচ এদেশে ৩টি করপোরেট গোষ্ঠী নাকি সাড়ে ৩ লক্ষ কোটি টাকা ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে আর দেওয়ার নাম করে না। কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভির অভিযোগ অনিল আম্বানি, এসার ও আদানি গোষ্ঠী নাকি সাড়ে ৩ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ফেরত দেয়নি। তা নীরব মোদির ঘটনা অচিরেই নীরব হয়ে পড়বে। সামনে এসে পড়বে অন্য কোন কেলেঙ্কারি। আর আমরা  অভ্যস্ত হয়ে উঠবো কেলেঙ্কারি খবরে। কোন প্রতিক্রিয়া তৈরি হবে না আমাদের। কারণ আমরা মেনেই নিয়েছি এটাই হবার!।

,