নারাদো পাটিয়ার দাঙ্গায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মায়া কোদনানিকে রেহাই হাইকোর্টের। মামলা চলাকালীন ৫ বিচারকের অব্যাহতি

0
20

গুজরাটের প্রাক্তন মন্ত্রী , বিজেপি নেতা তথা বিশিষ্ট স্ত্রী বিশেষজ্ঞ মায়া কোদনানিকে নারদা পাটিয়া গণহত্যা মামলায় প্রমাণের অভাবে খালাস দিল গুজরাট হাইকোর্ট। হাইকোর্টে এই মামলার শুনানির সময় ৬ জন বিচারপতি মামলা থেকে অব্যাহতি নেন। সহজেই অনুমেয় কী ধরনের চাপ ছিল তাদের উপর।

২০১২ সালে নিম্ন আদালত নারোদা পাটিয়ায় দাঙ্গা সংগঠিত করে  ১০০ জন মুসলীমকে  হত্যা করার অপারাধে মায়া কোদনানি সহ ৩২জনকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়। নিম্ন আদালতে মামলার  ১১জন সাক্ষী পুলিসের বিশেষ তদন্ত কারী দলকে জানিয়েছিলেন মায়া কোদনানি নিজে দাঙ্গাকারীদের হাতে তলোয়ার তুলে দিতে দেখেছন।  এমন কী নিজেও গুলি চালিয়েছেন মায়া। আদালতেও এই ১১জন তাই বলেছিলেন। অথচ হাইকোর্ট জানাচ্ছে ১১ জন সাক্ষী নাকি জানিয়েছেন দাঙ্গার সময় মায়া কোদনানিকে তারা গাড়ি থেকে নেমে পুলিসের সঙ্গে কথা বলতে দেখেছেন। দাঙ্গা করতে নয়। তাই মায়া কোদনানির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগ প্রমাণ হয় না বলে মনে করেছে হাইকোর্ট। প্রশ্ন উঠছে একই সাক্ষী ২জায়াগায় ২ রকম সাক্ষ্য দিলেন কেন?

২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি গোধরায় ট্রেনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হলে নিহত হন ৫৯জন  করবেসক। তার পর গুজরাট জুড়ে দাঙ্গায় নিহত হন অন্তত ২০০০ মুসলীম। নারোদ পাটিয়া দাঙ্গায় তার মধ্যে সব থেকে কুখ্যাত। এর ৫ বছর পর নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন মায়াকে শিশু কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী করেন। ১৯৯৩ সালে গ্রেফতার হওয়া  পর্যন্ত তিনি সেই পদে বহাল ছিলেন।